
ছবি সংগৃহিত
উন্নত চিকিৎসার জন্য বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এখন পর্যন্ত তাঁর শারীরিক অবস্থা এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়ার উপযুক্ত নয়।
বিশেষ করে খালেদা জিয়ার হৃদ্যন্ত্রের সমস্যা বেশ জটিল পর্যায়ে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল সূত্রগুলো থেকে জানা গেছে। এ ছাড়া ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুসসহ অন্য সমস্যাগুলো অপরিবর্তিত রয়েছে। তাঁকে ঢাকায় রেখেই চিকিৎসা করা হবে। প্রতিদিনই তাঁর ডায়ালাইসিস করতে হচ্ছে।
এ পরিস্থিতিতে গতকাল সোমবার খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার বিষয়ে বিএনপি ও খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে নতুন কোনো উদ্যোগের কথা জানা যায়নি। কাতার আমিরের পক্ষ থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পাঠানোর যে প্রক্রিয়া চলছিল, সেটি স্থগিত রাখা হয়েছে।
এদিকে খালেদা জিয়াকে দেখতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী জুবাইদা রহমান প্রতিদিনই রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে যাওয়া-আসা করছেন। গতকাল বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে তিনি হাসপাতালে যান এবং চিকিৎসার তদারকি করেন।
বিশেষ করে খালেদা জিয়ার হৃদ্যন্ত্রের সমস্যা বেশ জটিল পর্যায়ে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল সূত্রগুলো থেকে জানা গেছে। এ ছাড়া ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুসসহ অন্য সমস্যাগুলো অপরিবর্তিত রয়েছে। তাঁকে ঢাকায় রেখেই চিকিৎসা করা হবে। প্রতিদিনই তাঁর ডায়ালাইসিস করতে হচ্ছে।
৮০ বছর বয়সী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে হৃদ্রোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস, কিডনির জটিলতাসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে গত ২৩ নভেম্বর দ্রুত তাঁকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। মেডিকেল বোর্ডের দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর চিকিৎসা চলছে।
চিকিৎসকেরা এখনো খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবস্থাকে ‘গুরুতর’ হিসেবে বিবেচনা করছেন। তাঁদের পর্যবেক্ষণ হচ্ছে, আগামী কয়েকটি দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিডনি কার্যক্ষমতায় স্থিতিশীলতা ছাড়া তাঁর সামগ্রিক শারীরিক অবস্থায় স্থায়ী উন্নতি আসা কঠিন।
সম্পাদক ও প্রকাশক:- গজনবী বিপ্লব
নেত্রকোণা অফিস:- গজনবী ভিলা, সাতবেরিকান্দা, নেত্রকোণা সদর, নেত্রকোণা