ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বচান উপলক্ষে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দাখিল করা হলফনামা অনুযায়ী, পার্থর বার্ষিক আয় ৪১ লাখ ৪১ হাজার ৪৫২ টাকা। এর মধ্যে ব্যবসা থেকে আয় সাত লাখ ৫২ হাজার ১০৭ টাকা এবং আইন পেশা ও শিক্ষকতা থেকে আয় ৩৩ লাখ ৮৯ হাজার ৩৪৫টাকা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বচান উপলক্ষে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দাখিল করা হলফনামা অনুযায়ী, পার্থর বার্ষিক আয় ৪১ লাখ ৪১ হাজার ৪৫২ টাকা। এর মধ্যে ব্যবসা থেকে আয় সাত লাখ ৫২ হাজার ১০৭ টাকা এবং আইন পেশা ও শিক্ষকতা থেকে আয় ৩৩ লাখ ৮৯ হাজার ৩৪৫টাকা।
এর আগে ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসন থেকে নির্বাচন করেন পার্থ। সেখানে দাখিল করা হলফনামায় তাঁর আয় দেখানো হয় ২১ লাখ ৮৬ হাজার ৭৭০ টাকা। সম্পদ দেখানো হয় নগদ ৩১ লাখ এক হাজার ১৯৬ টাকা, ব্যংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জামা ৪৩ লাখ ২০ হাজার ৪৫৫ টাকা; বন্ড, ঋণপত্র, স্টক একচেঞ্জ তালিকাভুক্ত ও তালিকাভুক্ত ৯ কম্পানির শেয়ার ১৭ লাখ ৪৫ হাজার টাকা; ৬০ লাখ ৪৫ হাজার ৪৫ টাকা মূল্যের একটি গাড়ি; এক লাখ ২৪ হাজার ৩৭৫ টাকা মূল্যের পুরনো আসবাবপত্র। তবে স্ত্রী বা সন্তানদের নামে কোনো সম্পদ দেখাননি। ওই সময় তাঁর মালিকাধীন ব্রিটিশ স্কুল অব ল-এর শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বাবদ ১০ লাখ ৪২ হাজার ২৫৬ টাকার দেনা দেখানো হয়।
২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-১ আসনের চার দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেন আন্দালিব রহমান পার্থ। ওই সময় হলফনামায় তিনি উল্লেখ করেন, ব্যবসা থেকে তাঁর বার্ষিক আয় পাঁচ লাখ ৮৩ হাজার ৩৫০ টাকা।
এ বাইরে আর কোনো আয়ের কথা উল্লেখ করেননি তিনি। তাঁর সম্পদের মধ্যে নগদ রয়েছে ২৬ লাখ ১৮ হাজার ৮৪ টাকা, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ৩৪ লাখ ৪৬ হাজার ৩৭৪ টাকা, স্টক এক্সচেঞ্জে কম্পানির শেয়ার ৪২ লাখ ৯১ হাজার টাকা, আসবাবপত্র দুই লাখ ২৫ হাজার ৪৭ টাকা এবং সোনা ১০০ তোলা।
২০০৮ সালের নির্বাচনে ভোলা-১ আসনে বিএনপির চারদলীয় জোট থেকে (ধানের শীষ প্রতীক) সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। ২০১৮ সালের নির্বাচনেও ঢাকা-১৭ আসন থেকে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেন। তবে এবার নিজ দলের প্রতীক গরুর গাড়ির প্রার্থী হিসেবে ভোলা-১ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন তিনি।
সম্পাদক ও প্রকাশক:- গজনবী বিপ্লব
নেত্রকোণা অফিস:- গজনবী ভিলা, সাতবেরিকান্দা, নেত্রকোণা সদর, নেত্রকোণা