ঢাকা ০২:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেন্দুয়ার পাইকুড়া ইউনিয়ন: বাবার জনসেবার ঐতিহ্য ধরে রাখতে চান ছেলে ইকবাল কবির



  1. কেন্দুয়ার পাইকুড়া ইউনিয়ন: বাবার জনসেবার ঐতিহ্য ধরে রাখতে চান ছেলে ইকবাল কবির

নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার ১৩ নং পাইকুড়া ইউনিয়নের প্রবীণ জনপ্রতিনিধি, সুনামধন্য আইনজীবী ও বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ মরহুম অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম ভূঁইয়া ছিলেন সততা ও ন্যায়নিষ্ঠার প্রতীক। তাঁর সেই জনসেবার বর্ণাঢ্য ঐতিহ্য ধরে রেখে পাইকুড়া ইউনিয়নকে একটি আধুনিক জনপদ হিসেবে গড়তে চান তাঁর সুযোগ্য ছেলে মো. ইকবাল কবির।

বাবার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানবাধিকার কর্মী, সাংবাদিক ও সমাজসেবক হিসেবে গরিব, অসহায় ও মেহনতি মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল নেত্রকোণা জেলা শাখার শ্রম বিষয়ক সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব নেত্রকোণা শাখার সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এবং নিরাপদ সড়ক চাই নেত্রকোণা জেলা শাখার সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

*পাইকুড়া ইউনিয়নে বাবার অবদান:*

১৯৭৩ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম ভূঁইয়া ১৩ নং পাইকুড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৮৮ সালে দ্বিতীয় মেয়াদেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি ১৯৭৩ সালে বাড়লা গ্রামে নিজ বাড়িতে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন, যা আজ বাড়লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। চিটঁয়া- নওপাড়া বাজারে জামে মসজিদ নির্মাণেও তাঁর অবদান রয়েছে। ১৯৭৪ ও ১৯৮৮ সালের ভয়াবহ বন্যায় ত্রাণ বিতরণ ও সরকারি বরাদ্দ সংগ্রহে তিনি অগ্রণী ভূমিকা রাখেন।

পাইকুড়া বাজার থেকে বৈরাটী আশ্রম, বাড়লা গ্রামের সড়ক, পেমই পুলিশ তদন্ত ক্যাম্প, পেচুন্দুরী গ্রাম- থেকে, শিমুলতলা এবং ময়মনসিংহ-নান্দাইল মহাসড়কের সংযোগ সড়ক নির্মাণ, বেতাই নদীর ওপর সেতু স্থাপন এবং ১৯৭৩ সালে পাইকুড়া বাজারে অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন তাঁর উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন কর্মকাণ্ড।

*ছেলে ইকবাল কবিরের জনকল্যাণমূলক কাজ:*

১. *স্বেচ্ছাশ্রমে সড়ক সংস্কার:* ২০২১ সালের ২ আগস্ট সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে স্বেচ্ছাশ্রমে সড়ক সংস্কার করেন, যা পরে সরকারিভাবে পাকা করা হয়।
২. *বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা:* ২০২৬ সালের ১৬ মে বাইতুল হিকমাহ কমপ্লেক্সে বিনামূল্যে চক্ষু শিবির এবং ২০১১ সালে ময়মনসিংহ বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের সহযোগিতায় শত শত রোগীকে ছানি অপারেশন সেবা দেন।
৩. *নারীদের প্রশিক্ষণ:* ২০১১ সালের ২৮ অক্টোবর নারীদের স্বাবলম্বী করতে সেলাই ও কারিগরি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন।

আসন্ন ১৩ নং পাইকুড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে আগ্রহী মো. ইকবাল কবির এলাকাবাসীর দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করে বলেন, “বাবার আদর্শ ধারণ করে পাইকুড়া ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, সমৃদ্ধ ও জনকল্যাণমুখী ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।”

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, অতীতের উন্নয়নের ধারা বজায় রেখে নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বে পাইকুড়া ইউনিয়ন আরও এগিয়ে যাবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Gojnobi biplob

কেন্দুয়ার পাইকুড়া ইউনিয়ন: বাবার জনসেবার ঐতিহ্য ধরে রাখতে চান ছেলে ইকবাল কবির

কেন্দুয়ার পাইকুড়া ইউনিয়ন: বাবার জনসেবার ঐতিহ্য ধরে রাখতে চান ছেলে ইকবাল কবির

প্রকাশের সময় : ০২:৩৩:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  1. কেন্দুয়ার পাইকুড়া ইউনিয়ন: বাবার জনসেবার ঐতিহ্য ধরে রাখতে চান ছেলে ইকবাল কবির

নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার ১৩ নং পাইকুড়া ইউনিয়নের প্রবীণ জনপ্রতিনিধি, সুনামধন্য আইনজীবী ও বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ মরহুম অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম ভূঁইয়া ছিলেন সততা ও ন্যায়নিষ্ঠার প্রতীক। তাঁর সেই জনসেবার বর্ণাঢ্য ঐতিহ্য ধরে রেখে পাইকুড়া ইউনিয়নকে একটি আধুনিক জনপদ হিসেবে গড়তে চান তাঁর সুযোগ্য ছেলে মো. ইকবাল কবির।

বাবার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানবাধিকার কর্মী, সাংবাদিক ও সমাজসেবক হিসেবে গরিব, অসহায় ও মেহনতি মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল নেত্রকোণা জেলা শাখার শ্রম বিষয়ক সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব নেত্রকোণা শাখার সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এবং নিরাপদ সড়ক চাই নেত্রকোণা জেলা শাখার সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

*পাইকুড়া ইউনিয়নে বাবার অবদান:*

১৯৭৩ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম ভূঁইয়া ১৩ নং পাইকুড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৮৮ সালে দ্বিতীয় মেয়াদেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি ১৯৭৩ সালে বাড়লা গ্রামে নিজ বাড়িতে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন, যা আজ বাড়লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। চিটঁয়া- নওপাড়া বাজারে জামে মসজিদ নির্মাণেও তাঁর অবদান রয়েছে। ১৯৭৪ ও ১৯৮৮ সালের ভয়াবহ বন্যায় ত্রাণ বিতরণ ও সরকারি বরাদ্দ সংগ্রহে তিনি অগ্রণী ভূমিকা রাখেন।

পাইকুড়া বাজার থেকে বৈরাটী আশ্রম, বাড়লা গ্রামের সড়ক, পেমই পুলিশ তদন্ত ক্যাম্প, পেচুন্দুরী গ্রাম- থেকে, শিমুলতলা এবং ময়মনসিংহ-নান্দাইল মহাসড়কের সংযোগ সড়ক নির্মাণ, বেতাই নদীর ওপর সেতু স্থাপন এবং ১৯৭৩ সালে পাইকুড়া বাজারে অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন তাঁর উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন কর্মকাণ্ড।

*ছেলে ইকবাল কবিরের জনকল্যাণমূলক কাজ:*

১. *স্বেচ্ছাশ্রমে সড়ক সংস্কার:* ২০২১ সালের ২ আগস্ট সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে স্বেচ্ছাশ্রমে সড়ক সংস্কার করেন, যা পরে সরকারিভাবে পাকা করা হয়।
২. *বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা:* ২০২৬ সালের ১৬ মে বাইতুল হিকমাহ কমপ্লেক্সে বিনামূল্যে চক্ষু শিবির এবং ২০১১ সালে ময়মনসিংহ বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের সহযোগিতায় শত শত রোগীকে ছানি অপারেশন সেবা দেন।
৩. *নারীদের প্রশিক্ষণ:* ২০১১ সালের ২৮ অক্টোবর নারীদের স্বাবলম্বী করতে সেলাই ও কারিগরি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন।

আসন্ন ১৩ নং পাইকুড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে আগ্রহী মো. ইকবাল কবির এলাকাবাসীর দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করে বলেন, “বাবার আদর্শ ধারণ করে পাইকুড়া ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, সমৃদ্ধ ও জনকল্যাণমুখী ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।”

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, অতীতের উন্নয়নের ধারা বজায় রেখে নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বে পাইকুড়া ইউনিয়ন আরও এগিয়ে যাবে।