ঢাকা ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেন্দুয়ায় ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদ মাদক সম্রাট বাবলুর বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল

 কেন্দুয়া  মাদক ব্যবসা ও মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার রোয়াইলবাড়ী আমতলা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ মোস্তফা কামাল বাবলুকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হয়েছে।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে বিএনপির একাংশের নেতৃত্বে রোয়াইলবাড়ী বাজারে এ মিছিল ও সমাবেশ হয় । বিক্ষোভকারীরা মাদকের বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট এ্যাকশন, বাবলুর বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট এ্যাকশন, মাদক সম্রাট কে রে, বাবলু, বাবলু, মাদক সরদার কে রে, বাবলু, বাবলু,-এমন বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিল বের করে বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন।

সমাবেশে বক্তব্য দেন, উপজেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহিম মঞ্জু ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আনিসুল হক, ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব আজিজুল ইসলাম প্রমুখ ।

বক্তারা মাদক নির্মূলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে শেখ মোস্তফা কামাল বাবলুর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্ত করে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কারের দাবি জানান। একই সঙ্গে উপজেলা ও জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ এবং নেত্রকোণা-৩ আসনের এমপির হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

বক্তারা আরও দাবি করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কথিত মাদক কারবারির সঙ্গে বাবলুর টাকা লেনদেনের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। এ সময় উপজেলা বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান বিপ্লব, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি শাওন হাসান তিতাস, ইউনিয়ন কৃষকদলের সদস্য সচিব এরশাদ মিয়াসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অভিযোগের বিষয়ে শেখ মোস্তফা কামাল বাবলু মুঠোফোনে বলেন, আমি মাদক কারবারি ও সেবীদের বিরুদ্ধে সব সময়ই সোচ্চার৷ যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক । তাছাড়া ভাইরাল ভিডিওটি অনেক পুরোনো উল্লেখ করে তিনি বলেন, দলীয় কার্যালয়ের ঘরটির মালিক আনিসুল হকের কাছে আমি ৫ হাজার টাকা পেতাম । তা-ই দিতে এসেছিলো জুয়েল । কিন্তু আমি নিই নি । নেয়ার ফুটেজও নেই । তিনি আরো বলেন, আমি দলীয় হাইকমান্ডের সাথে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবো৷ #কোহিনূর_আলম

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Gojnobi biplob

স্বামী বিদেশে থাকতেই অন্তঃসত্ত্বা, পরে গোপন গর্ভপাতের অভিযোগ চিকিৎসা প্রতিবেদনে ‘অসম্পূর্ণ গর্ভপাত’, এফিডেভিটের পর ঘটনাপ্রবাহ ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য

কেন্দুয়ায় ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদ মাদক সম্রাট বাবলুর বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল

প্রকাশের সময় : ০৯:২৮:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

 কেন্দুয়া  মাদক ব্যবসা ও মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার রোয়াইলবাড়ী আমতলা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ মোস্তফা কামাল বাবলুকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হয়েছে।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে বিএনপির একাংশের নেতৃত্বে রোয়াইলবাড়ী বাজারে এ মিছিল ও সমাবেশ হয় । বিক্ষোভকারীরা মাদকের বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট এ্যাকশন, বাবলুর বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট এ্যাকশন, মাদক সম্রাট কে রে, বাবলু, বাবলু, মাদক সরদার কে রে, বাবলু, বাবলু,-এমন বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিল বের করে বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন।

সমাবেশে বক্তব্য দেন, উপজেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহিম মঞ্জু ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আনিসুল হক, ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব আজিজুল ইসলাম প্রমুখ ।

বক্তারা মাদক নির্মূলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে শেখ মোস্তফা কামাল বাবলুর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্ত করে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কারের দাবি জানান। একই সঙ্গে উপজেলা ও জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ এবং নেত্রকোণা-৩ আসনের এমপির হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

বক্তারা আরও দাবি করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কথিত মাদক কারবারির সঙ্গে বাবলুর টাকা লেনদেনের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। এ সময় উপজেলা বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান বিপ্লব, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি শাওন হাসান তিতাস, ইউনিয়ন কৃষকদলের সদস্য সচিব এরশাদ মিয়াসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অভিযোগের বিষয়ে শেখ মোস্তফা কামাল বাবলু মুঠোফোনে বলেন, আমি মাদক কারবারি ও সেবীদের বিরুদ্ধে সব সময়ই সোচ্চার৷ যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক । তাছাড়া ভাইরাল ভিডিওটি অনেক পুরোনো উল্লেখ করে তিনি বলেন, দলীয় কার্যালয়ের ঘরটির মালিক আনিসুল হকের কাছে আমি ৫ হাজার টাকা পেতাম । তা-ই দিতে এসেছিলো জুয়েল । কিন্তু আমি নিই নি । নেয়ার ফুটেজও নেই । তিনি আরো বলেন, আমি দলীয় হাইকমান্ডের সাথে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবো৷ #কোহিনূর_আলম