ঢাকা ০৫:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীর তানোরে ৩৫ ফুট গভীরেও শিশু সাজিদকে পাওয়া যায়নি, উদ্ধার অভিযান চলছে

  • রাজশাহী প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : ০২:৪৮:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২৩১ বার পড়া হয়েছে



ছবি সংগৃহিত

রাজশাহীর তানোরে ৩০ থেকে ৩৫ ফুট গভীর গর্তে পড়ে যাওয়া শিশুটিকে উদ্ধারকাজ অব্যাহত আছে। গতকাল বুধবার রাতভর উদ্ধার অভিযান চালায় ফায়ার সার্ভিস।

প্রায় ১৬ ঘণ্টার চেষ্টার পরও শিশুটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে এ প্রতিবেদন লেখার সময় উদ্ধারকাজ চলছিল।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, মূল গর্তের পাশ থেকে কেটে শিশুটিকে উদ্ধার করার চেষ্টা চলছে। ৩৫ ফুট গভীরে গিয়েও শিশুটিকে পাওয়া যায়নি।

এ সম্পর্কে আজ সকালে তানোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহীনুজ্জামান বেঙ্গল নিউজ টিভি অনলাইনকে বলেন, ‘উদ্ধারকাজ শেষ হয়নি। খনন চলছে।’

স্থানীয় লোকজন জানান, রাজশাহীর তানোর উপজেলার পচন্দর ইউনিয়নের এই গ্রামে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর অনেক নিচে নেমে গেছে। এ এলাকায় এখন গভীর নলকূপ বসানোর বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা আছে

। এ অবস্থার মধ্যে কোয়েল হাট গ্রামের কছির উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি তাঁর জমিতে পানির স্তর পাওয়া যায় কি না, সেটা যাচাই করার জন্য গর্তটি খনন করেছিলেন। সেই গর্ত ভরাটও করেছিলেন, কিন্তু বর্ষায় মাটি বসে গিয়ে নতুন করে গর্ত সৃষ্টি হয়। সেই গর্তেই শিশুটি পড়ে যায়।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, গতকাল বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে এক্সকাভেটর দিয়ে খনন শুরু হয়। ঘটনাস্থলের পার্শ্ববর্তী চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ রাজশাহী ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট কাজ করে। তাদের সঙ্গে যোগ দেয় পুলিশ ও সেনাবাহিনী। রাত ১০টার দিকে ছোট এক্সকাভেটর দিয়ে আর খনন করা সম্ভব হয়নি।

রাজশাহী সিটি করপোরেশন থেকে পাঠানো বড় এক্সকাভেটর দিয়ে খনন শুরু করা হয়েছিল। রাতভর একই কাজ চলেছে। আজ সকাল আটটার দিকে প্রায় ৩৫ ফুট গভীরে গিয়ে মূল গর্তের পাশ কেটে শিশুটিকে পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটি আরও গভীরে চলে গেছে।

ফায়ার সার্ভিসের রাজশাহীর সহকারী পরিচালক দিদারুল আলম গতকাল রাতে জানান, তাঁরা বেলা আড়াইটার দিকে এ ঘটনার খবর পান। দ্রুতই উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়।

তাঁরা যাওয়ার আগে স্থানীয় লোকজন প্রাথমিকভাবে চেষ্টা করার কারণে কিছু মাটির ভেতরে পড়ে ছিল। এ কারণে কিছুটা অসুবিধা হয়েছে। তাঁরা এসেই পাইপের মাধ্যমে গর্তে অক্সিজেন দেওয়া শুরু করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Gojnobi biplob

আটপাড়ায় জমি দখলের অভিযোগ এনে সংবাদকর্মীর বিরুদ্বে মানববন্ধন ।

রাজশাহীর তানোরে ৩৫ ফুট গভীরেও শিশু সাজিদকে পাওয়া যায়নি, উদ্ধার অভিযান চলছে

প্রকাশের সময় : ০২:৪৮:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

ছবি সংগৃহিত

রাজশাহীর তানোরে ৩০ থেকে ৩৫ ফুট গভীর গর্তে পড়ে যাওয়া শিশুটিকে উদ্ধারকাজ অব্যাহত আছে। গতকাল বুধবার রাতভর উদ্ধার অভিযান চালায় ফায়ার সার্ভিস।

প্রায় ১৬ ঘণ্টার চেষ্টার পরও শিশুটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে এ প্রতিবেদন লেখার সময় উদ্ধারকাজ চলছিল।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, মূল গর্তের পাশ থেকে কেটে শিশুটিকে উদ্ধার করার চেষ্টা চলছে। ৩৫ ফুট গভীরে গিয়েও শিশুটিকে পাওয়া যায়নি।

এ সম্পর্কে আজ সকালে তানোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহীনুজ্জামান বেঙ্গল নিউজ টিভি অনলাইনকে বলেন, ‘উদ্ধারকাজ শেষ হয়নি। খনন চলছে।’

স্থানীয় লোকজন জানান, রাজশাহীর তানোর উপজেলার পচন্দর ইউনিয়নের এই গ্রামে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর অনেক নিচে নেমে গেছে। এ এলাকায় এখন গভীর নলকূপ বসানোর বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা আছে

। এ অবস্থার মধ্যে কোয়েল হাট গ্রামের কছির উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি তাঁর জমিতে পানির স্তর পাওয়া যায় কি না, সেটা যাচাই করার জন্য গর্তটি খনন করেছিলেন। সেই গর্ত ভরাটও করেছিলেন, কিন্তু বর্ষায় মাটি বসে গিয়ে নতুন করে গর্ত সৃষ্টি হয়। সেই গর্তেই শিশুটি পড়ে যায়।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, গতকাল বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে এক্সকাভেটর দিয়ে খনন শুরু হয়। ঘটনাস্থলের পার্শ্ববর্তী চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ রাজশাহী ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট কাজ করে। তাদের সঙ্গে যোগ দেয় পুলিশ ও সেনাবাহিনী। রাত ১০টার দিকে ছোট এক্সকাভেটর দিয়ে আর খনন করা সম্ভব হয়নি।

রাজশাহী সিটি করপোরেশন থেকে পাঠানো বড় এক্সকাভেটর দিয়ে খনন শুরু করা হয়েছিল। রাতভর একই কাজ চলেছে। আজ সকাল আটটার দিকে প্রায় ৩৫ ফুট গভীরে গিয়ে মূল গর্তের পাশ কেটে শিশুটিকে পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটি আরও গভীরে চলে গেছে।

ফায়ার সার্ভিসের রাজশাহীর সহকারী পরিচালক দিদারুল আলম গতকাল রাতে জানান, তাঁরা বেলা আড়াইটার দিকে এ ঘটনার খবর পান। দ্রুতই উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়।

তাঁরা যাওয়ার আগে স্থানীয় লোকজন প্রাথমিকভাবে চেষ্টা করার কারণে কিছু মাটির ভেতরে পড়ে ছিল। এ কারণে কিছুটা অসুবিধা হয়েছে। তাঁরা এসেই পাইপের মাধ্যমে গর্তে অক্সিজেন দেওয়া শুরু করেন।