
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার ৪ নম্বর গড়াডোবা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা রনি চন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসকের জারি করা বদলি আদেশ অমান্য করে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখার অভিযোগ উঠেছে।
এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগকারী বিদ্যাবল্লভ গ্রামের বাসিন্দা মো. সিদ্দিকুর রহমান জানান, নেত্রকোনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে গত ১৫ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা এক অফিস আদেশে রনি চন্দ্র সরকারকে মোহনগঞ্জ উপজেলার ৬ নম্বর সয়াইর ইউনিয়ন পরিষদে বদলি করা হয়। আদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান না করলে তাঁকে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) গণ্য হওয়ার কথাও উল্লেখ ছিল। তবে স্থানীয়দের দাবি, নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনও গড়াডোবা ইউনিয়ন পরিষদে দায়িত্ব পালন করছেন এবং সরকারি নথিপত্রে স্বাক্ষর করছেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহলে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, গড়াডোবা ইউনিয়ন পরিষদে দীর্ঘদিন জাতীয় পতাকা উত্তোলনে অবহেলা, মা ও শিশু সহায়তা ভাতা কর্মসূচিতে অনিয়ম, হোল্ডিং ট্যাক্স আদায়ে স্বচ্ছতার অভাব এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রণয়নে অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে বিভাগীয় পর্যায়ে নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন, বদলি আদেশ বাস্তবায়নের বিষয়টি যাচাই এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারী।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা রনি চন্দ্র সরকারের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, অভিযোগগুলোর দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত হলে প্রকৃত ঘটনা স্পষ্ট হবে এবং ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জনআস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা পাবে।
বেঙ্গল নিউজ ডেক্স 









