ঢাকা ০২:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিলেটের বিশ্বনাথে তরুণের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

  • সিলেট প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : ০১:০৯:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
  • ২৬০ বার পড়া হয়েছে




সিলেটের বিশ্বনাথে রুমন আহমদ (২০) নামে এক তরুণের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। রুমন উপজেলার অলংকারি ইউনিয়নের বড়খুরমা (উত্তর) গ্রামের আবদুল হামিদের ছেলে।

সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেল ৫টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনে পুলিশ। এর আগে গত রবিবার (২৯ মার্চ) রাতের কোনো একসময় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও পরিবার সূত্র জানায়, রুমন কৃষিকাজে সম্পৃক্ত ছিলেন। ঘটনার দিন রাতে তিনি স্বাভাবিকভাবেই স্থানীয় পনাউল্লাহ বাজারে ঘুরতে যান। সবার অগোচরে বাড়ি ফিরে তার বড় ভাই দিলোয়ারের শয়নকক্ষে প্রবেশ করেন। ওই দিন দিলোয়ার ছিলেন শ্বশুরালয়ে। পরে রাতের কোনো একসময় ওই ঘরেই গলায় ওড়না পেঁচিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস নেন তিনি।

পরদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত ওই ঘরের দরজা বন্ধ দেখে পরিবারের অন্য লোকজন দেখতে পান দরজা ভেতর থেকে আটকানো। ডাকাডাকি ঘরে কোনো শব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন তারা। দেখতে পান ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছে রুমনের নিথর দেহ। তবে কী কারণে এমনটি ঘটল, তা জানাতে পারেনি কেউ।

এ বিষয়ে কথা হলে বিশ্বনাথ পুলিশ স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলার প্রক্রিয়াও চলমান। সব মিলিয়ে প্রয়োজনীয় রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Gojnobi biplob

আটপাড়ায় জমি দখলের অভিযোগ এনে সংবাদকর্মীর বিরুদ্বে মানববন্ধন ।

সিলেটের বিশ্বনাথে তরুণের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের সময় : ০১:০৯:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

সিলেটের বিশ্বনাথে রুমন আহমদ (২০) নামে এক তরুণের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। রুমন উপজেলার অলংকারি ইউনিয়নের বড়খুরমা (উত্তর) গ্রামের আবদুল হামিদের ছেলে।

সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেল ৫টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনে পুলিশ। এর আগে গত রবিবার (২৯ মার্চ) রাতের কোনো একসময় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও পরিবার সূত্র জানায়, রুমন কৃষিকাজে সম্পৃক্ত ছিলেন। ঘটনার দিন রাতে তিনি স্বাভাবিকভাবেই স্থানীয় পনাউল্লাহ বাজারে ঘুরতে যান। সবার অগোচরে বাড়ি ফিরে তার বড় ভাই দিলোয়ারের শয়নকক্ষে প্রবেশ করেন। ওই দিন দিলোয়ার ছিলেন শ্বশুরালয়ে। পরে রাতের কোনো একসময় ওই ঘরেই গলায় ওড়না পেঁচিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস নেন তিনি।

পরদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত ওই ঘরের দরজা বন্ধ দেখে পরিবারের অন্য লোকজন দেখতে পান দরজা ভেতর থেকে আটকানো। ডাকাডাকি ঘরে কোনো শব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন তারা। দেখতে পান ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছে রুমনের নিথর দেহ। তবে কী কারণে এমনটি ঘটল, তা জানাতে পারেনি কেউ।

এ বিষয়ে কথা হলে বিশ্বনাথ পুলিশ স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলার প্রক্রিয়াও চলমান। সব মিলিয়ে প্রয়োজনীয় রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।