ঢাকা ০২:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন বজ্রপাতের মতো হঠাৎ এসেছে হাম, প্রস্তুতি ছিল না

  • বেঙ্গল নিউজ ডেক্স
  • প্রকাশের সময় : ০১:২৫:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • ২৭৫ বার পড়া হয়েছে




স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, বজ্রপাতের মতো হঠাৎ এসেছে হাম, আমাদের কোনো প্রস্তুতি ছিল না।

বৃহস্পতিবার ঢাকা শিশু হাসপাতালে হামজনিত নিউমোনিয়া শ্বাসকষ্টের চিকিৎসায় বাবল সিপ্যাপের ব্যবহার বিষয়ে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বজ্রপাতের মতো এসেছে হাম, কোনো প্রস্তুতি ছিল না। তবে অল্প সময়ে হাম মোকাবিলায় পুরোপুরি প্রস্তুত আমরা।

এর আগে, গত বুধবার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে হাম টিকা কার্যক্রম ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশব্যাপী হাম প্রতিরোধে জরুরি ভিত্তিতে টিকাদান কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। আগামী রবিবার থেকে মাঠপর্যায়ে এই কার্যক্রম শুরু হবে। ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের এই কার্যক্রমের আওতায় আনা হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Gojnobi biplob

আটপাড়ায় জমি দখলের অভিযোগ এনে সংবাদকর্মীর বিরুদ্বে মানববন্ধন ।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন বজ্রপাতের মতো হঠাৎ এসেছে হাম, প্রস্তুতি ছিল না

প্রকাশের সময় : ০১:২৫:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, বজ্রপাতের মতো হঠাৎ এসেছে হাম, আমাদের কোনো প্রস্তুতি ছিল না।

বৃহস্পতিবার ঢাকা শিশু হাসপাতালে হামজনিত নিউমোনিয়া শ্বাসকষ্টের চিকিৎসায় বাবল সিপ্যাপের ব্যবহার বিষয়ে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বজ্রপাতের মতো এসেছে হাম, কোনো প্রস্তুতি ছিল না। তবে অল্প সময়ে হাম মোকাবিলায় পুরোপুরি প্রস্তুত আমরা।

এর আগে, গত বুধবার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে হাম টিকা কার্যক্রম ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশব্যাপী হাম প্রতিরোধে জরুরি ভিত্তিতে টিকাদান কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। আগামী রবিবার থেকে মাঠপর্যায়ে এই কার্যক্রম শুরু হবে। ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের এই কার্যক্রমের আওতায় আনা হচ্ছে।