
নেত্রকোনা প্রতিনিধি: চলতি আমন মৌসুমে নেত্রকোনার সবকটি উপজেলায় তীব্র সার সংকট দেখা দিয়েছে। পর্যাপ্ত সরকারি বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও অসাধু ডিলার ও কিছু কর্মকর্তার যোগসাজশে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় ভুক্তভোগী কৃষকরা।
সরকারি নিয়মানুযায়ী এক উপজেলার সার অন্য উপজেলায় বা এক ইউনিয়নের সার অন্য ইউনিয়নে বিক্রি ও স্থানান্তর সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তবে কেন্দুয়ায় এই আইন বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বরাদ্দকৃত সার ডিলারদের গোডাউনে পৌঁছানোর আগেই ট্রাক বা ট্রলি থেকে অন্য এলাকায় পাচার করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা খাতাপত্র পরিদর্শন করেই দায়িত্ব শেষ করছেন এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের আড়াল করছেন।
গতকাল কেন্দুয়ার রেইনট্রিতলা বাজারে গড়াডোবা ইউনিয়নের জন্য বরাদ্দকৃত সার অটোরিকশাযোগে আশুজিয়া ইউনিয়নে পাচারের সময় স্থানীয় জনতা হাতেনাতে আটক করে। তবে সারের বস্তাগুলো কার কাছ থেকে আনা হয়েছে, সে বিষয়ে মুখ খুলতে রাজি হননি অটোরিকশা চালক।
এ বিষয়ে কেন্দুয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা উজ্জল সাহার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি সার পাচারের বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা নিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় সার সরবরাহের অনুমতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “গড়াডোবা ইউনিয়নের সার আশুজিয়া ইউনিয়নের বীরগঞ্জ বাজারে নেওয়ার বিষয়ে আমি অবগত নই। আপাতত এ বিষয়ে কিছু করার নেই, পরবর্তীতে বিষয়টি দেখা হবে।
কৃষি কর্মকর্তার এমন উদাসীন ও বিতর্কিত বক্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় কৃষকরা। দ্রুত তদন্তপূর্বক অসাধু ডিলার ও দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
নেত্রকোণা প্রতিনিধি 








