ঢাকা ১২:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টাঙ্গাইলে শাশুড়িকে হত্যার দায়ে জামাতাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত

টাঙ্গাইলে শাশুড়িকে হত্যার দায়ে জামাতাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইলের স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক দিলারা আলো চন্দনা এ দণ্ডাদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন জামালপুর সদরের তেলিয়ানপাড়া গ্রামের নূরুল ইসলাম দুদুর ছেলে রেজাউল করিম দুলু।টাঙ্গাইলের স্পেশাল জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মো: শাহজাহান কবীর জানান, টাঙ্গাইলের মধুপুর থানার বুরাকুড়ি গ্রামের নুর হাইয়ের স্ত্রী রাবেয়া বেগম ছিলেন আসামি রেজাউল করিম দুলুর শাশুড়ি।

কিন্তু সাংসারিক জীবনে বনিবনা না হওয়ায় রাবেয়া বেগমের মেয়ে নুরুন্নাহার ২০০৬ সালের শুরুতে তার স্বামী রেজাউলকে তালাক দেন। এতে ক্ষীপ্ত হয়ে রেজাউল তার লোকজন নিয়ে ২০০৬ সালের ২৭ জুন রাতে মধুপুরের বুরাকুড়ি গ্রামে রাবেয়া বেগমের বাড়িতে গিয়ে নুরুন্নাহারের ওপর হামলা চালান। তখন রাবেয়া বেগম এগিয়ে এলে রেজাউল তাকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাবেয়াকে মধুপুর কালিয়াকুড়ি হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরদিন রাবেয়ার স্বামী নূর হাই মধুপুর থানায় রেজাউলসহ ছয়জনকে আসামি করে মামলা করেন।

তিনি আরো জানান, ২০০৭ সালের ২৩ জানুয়ারি সব আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ। দীর্ঘ ২০ বছর পর রোববার এ মামলায় রায় দেয় আদালত। আসামি রেজাউলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। বর্তমানে তিনি পলাতক রয়েছেন। মামলার অপর পাঁচ আসামি ছামাদ মণ্ডল, তোতামিয়া, মিলন মিয়া, আজিজুল ও আবুল কালাম বেকসুর খালাস পান।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Gojnobi biplob

স্বামী বিদেশে থাকতেই অন্তঃসত্ত্বা, পরে গোপন গর্ভপাতের অভিযোগ চিকিৎসা প্রতিবেদনে ‘অসম্পূর্ণ গর্ভপাত’, এফিডেভিটের পর ঘটনাপ্রবাহ ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য

টাঙ্গাইলে শাশুড়িকে হত্যার দায়ে জামাতাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত

প্রকাশের সময় : ১১:৪৬:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

টাঙ্গাইলে শাশুড়িকে হত্যার দায়ে জামাতাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইলের স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক দিলারা আলো চন্দনা এ দণ্ডাদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন জামালপুর সদরের তেলিয়ানপাড়া গ্রামের নূরুল ইসলাম দুদুর ছেলে রেজাউল করিম দুলু।টাঙ্গাইলের স্পেশাল জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মো: শাহজাহান কবীর জানান, টাঙ্গাইলের মধুপুর থানার বুরাকুড়ি গ্রামের নুর হাইয়ের স্ত্রী রাবেয়া বেগম ছিলেন আসামি রেজাউল করিম দুলুর শাশুড়ি।

কিন্তু সাংসারিক জীবনে বনিবনা না হওয়ায় রাবেয়া বেগমের মেয়ে নুরুন্নাহার ২০০৬ সালের শুরুতে তার স্বামী রেজাউলকে তালাক দেন। এতে ক্ষীপ্ত হয়ে রেজাউল তার লোকজন নিয়ে ২০০৬ সালের ২৭ জুন রাতে মধুপুরের বুরাকুড়ি গ্রামে রাবেয়া বেগমের বাড়িতে গিয়ে নুরুন্নাহারের ওপর হামলা চালান। তখন রাবেয়া বেগম এগিয়ে এলে রেজাউল তাকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাবেয়াকে মধুপুর কালিয়াকুড়ি হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরদিন রাবেয়ার স্বামী নূর হাই মধুপুর থানায় রেজাউলসহ ছয়জনকে আসামি করে মামলা করেন।

তিনি আরো জানান, ২০০৭ সালের ২৩ জানুয়ারি সব আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ। দীর্ঘ ২০ বছর পর রোববার এ মামলায় রায় দেয় আদালত। আসামি রেজাউলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। বর্তমানে তিনি পলাতক রয়েছেন। মামলার অপর পাঁচ আসামি ছামাদ মণ্ডল, তোতামিয়া, মিলন মিয়া, আজিজুল ও আবুল কালাম বেকসুর খালাস পান।