ঢাকা ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

র্বধলা উপজেলার হোগলা ইউনিয়নের কালিহর নদী থেকে ইট বাঁধা অবস্থায় এক নবজাতক কন্যাশিশুর মরদেহ উদ্ধার

নেত্রকোণার পূর্বধলা উপজেলার হোগলা ইউনিয়নের কালিহর নদী থেকে ইট বাঁধা অবস্থায় এক নবজাতক কন্যাশিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) সকালে স্থানীয় লোকজন কালিহর নদীতে একটি নবজাতকের মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন।

পরে পূর্বধলা থানার তদন্ত পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর তদন্ত) হাবিবুর রহমান পিপিএম, এসআই ফারুক হোসেন ও সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় নদী থেকে কালো শার্টে মোড়ানো এক নবজাতক কন্যাশিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নবজাতকের মরদেহটি কালো শার্টে পেঁচিয়ে লাল রঙের একটি রশি দিয়ে একটি ইটের সঙ্গে বেঁধে নদীতে ডুবিয়ে রাখা হয়েছিল। পরে কোনো কারণে সেটি ভেসে ওঠে।

তিনি আরও বলেন, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনাটির প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন এবং নবজাতকের পরিচয় শনাক্তে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Gojnobi biplob

Popular Post

নেত্রকোণার মদনে পরীক্ষা কেন্দ্রে অবাধে নকলের অভিযোগ:

র্বধলা উপজেলার হোগলা ইউনিয়নের কালিহর নদী থেকে ইট বাঁধা অবস্থায় এক নবজাতক কন্যাশিশুর মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের সময় : ০১:৫৪:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

নেত্রকোণার পূর্বধলা উপজেলার হোগলা ইউনিয়নের কালিহর নদী থেকে ইট বাঁধা অবস্থায় এক নবজাতক কন্যাশিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) সকালে স্থানীয় লোকজন কালিহর নদীতে একটি নবজাতকের মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন।

পরে পূর্বধলা থানার তদন্ত পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর তদন্ত) হাবিবুর রহমান পিপিএম, এসআই ফারুক হোসেন ও সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় নদী থেকে কালো শার্টে মোড়ানো এক নবজাতক কন্যাশিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নবজাতকের মরদেহটি কালো শার্টে পেঁচিয়ে লাল রঙের একটি রশি দিয়ে একটি ইটের সঙ্গে বেঁধে নদীতে ডুবিয়ে রাখা হয়েছিল। পরে কোনো কারণে সেটি ভেসে ওঠে।

তিনি আরও বলেন, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনাটির প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন এবং নবজাতকের পরিচয় শনাক্তে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।