ঢাকা ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বদলি হয়েও চেয়ার ছাড়ছেন না রনি চন্দ্র সরকার: অবমুক্তির পর অবৈধ স্বাক্ষরে চলছে অফিস

 নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার ৪নং গড়াডোবা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা  রনি চন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে বদলি আদেশ অমান্য করে জোরপূর্বক অফিস করা এবং অবৈধভাবে দাপ্তরিক নথিপত্র ও অফিসিয়াল কাগজে স্বাক্ষর করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

জেলা প্রশাসকের স্পষ্ট নির্দেশ অমান্য করে গত ২২ জুন অবমুক্ত (Stand Release) হওয়ার পরও তিনি নিয়মিত অফিস করে যাচ্ছেন, যা নিয়ে এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও প্রশাসনিক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

​পুরোনো কর্মস্থলেও ছিল অনিয়মের পাহাড়, নেপথ্যে ‘অদৃশ্য শক্তি’: অনুসন্ধানে জানা গেছে, রনি চন্দ্র সরকারের এই বেপরোয়া ও আইন অমান্য করার প্রবণতা নতুন কিছু নয়। গড়াডোবা ইউনিয়নে যোগদানের পূর্বে নেত্রকোণার আটপাড়া উপজেলার দুওজ ইউনিয়ন পরিষদ এবং মদন উপজেলার সদর ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত থাকা অবস্থায়ও তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল।

বিশেষ করে দুওজ ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত থাকাকালীন ২০২৫-২০২৬ চক্রের দুস্থ মহিলা উন্নয়ন (ভিডব্লিউবি) কর্মসূচির আওতায় উপকারভোগী নির্বাচনে সরকারি পরিপত্র লঙ্ঘন করে নিজের ইচ্ছা মাফিক কমিটি গঠন এবং অনিয়মিত কমিটির মাধ্যমে ৬৮ জন অযোগ্য ও সচ্ছল নারীর নাম তালিকাভুক্ত করার গুরুতর অভিযোগ ওঠে। তখন ২৩ জন অভিযোগকারীর যৌথ স্বাক্ষরসহ এই সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ জেলা প্রশাসক বরাবর জমা দেওয়া হয়েছিল।

স্থানীয়দের অভিযোগ, অতীতে বিভিন্ন কর্মস্থলে একের পর এক অনিয়ম ও দুর্নীতি করলেও এক ‘অদৃশ্য শক্তির’ খুঁটির জোরে প্রতিবারই পার পেয়ে গেছেন তিনি। কোনো এক প্রভাবশালী মহলের আশ্রয়-প্রশ্রয় থাকায় জেলা প্রশাসকের বদলি আদেশকেও তিনি তোয়াক্কা করছেন না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

​বদলি আদেশ ও ‘স্ট্যান্ড রিলিজ’ অমান্য: অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, গত ১৫ জুন ২০২৬ তারিখে নেত্রকোণা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার শাখা থেকে জারিকৃত এক অফিস আদেশে (স্মারক নম্বর: ০৫.৪২.৭২০০.০১১.১১.০০০১.২২.৪১৪) প্রশাসনিক প্রয়োজনে রনি চন্দ্র সরকারকে গড়াডোবা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে মোহনগঞ্জ উপজেলার ৬নং সুয়াইর ইউনিয়ন পরিষদে বদলি করা হয়। আদেশের ০২ নম্বর শর্তে উল্লেখ ছিল, ২২ জুন ২০২৬ তারিখের মধ্যে বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদান না করলে তিনি উক্ত তারিখ অপরাহ্ণে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত (Stand Release) বলে গণ্য হবেন। ​

একই আদেশে ৩নং দলপা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা জনাব গৌতম তরফদারকে ৪নং গড়াডোবা ইউনিয়ন পরিষদের অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করা হয়। কিন্তু আইনগতভাবে অবমুক্ত হওয়ার পরও কোনো প্রকার লিখিত স্থগিতাদেশ ছাড়াই রনি চন্দ্র সরকার গত ২৫ জুন পর্যন্ত সব অফিসিয়াল কাগজে স্বাক্ষর করে গেছেন এবং আগামী রবিবার থেকেও রেগুলার অফিস করার ঘোষণা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

​বর্তমান কর্মস্থল গড়াডোবার দুর্নীতি ও জাতীয় দিবস অবমাননার বিবরণ: এর আগে রনি চন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে গড়াডোবা ইউনিয়নে চলমান অনিয়ম, জاليةতি ও দুর্নীতির নানা বিবরণ এনে নেত্রকোণা জেলা প্রশাসক বরাবর এলাকাবাসীর পক্ষে মোঃ সিদ্দিকুর রহমান একটি লিখিত পুনঃআবেদন দাখিল করেন। ওই অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, রনি চন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে এর আগেও ‘ভুয়া মাতৃত্বকালীন কার্ড’ তৈরির বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (UNO) ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল।

​লিখিত অভিযোগে রনি চন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ৪টি অনিয়ম তুলে ধরা হয়: ১. মাতৃত্ব কার্ডে ভয়াবহ জালিয়াতি: বিগত ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মাসে তিনি জনৈক ইউপি সদস্যের সাথে যোগসাজশ করে ওই সদস্যের বাড়ির ২ জন নারী—যারা প্রকৃতপক্ষে গর্ভবতী নন—তাদের নামে অবৈধভাবে ‘মাতৃত্বকালীন কার্ড’ তৈরি করে সরকারি ভাতার অর্থ অপব্যবহারের সুযোগ করে দেন। ২. জাতীয় পতাকার অবমাননা: ১৬ই ডিসেম্বর, ২১শে ফেব্রুয়ারি এবং ২৬শে মার্চসহ রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবস এবং সাধারণ কর্মদিবসেও তিনি ইউনিয়ন পরিষদে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন না, যা রাষ্ট্রীয় বিধিমালার চরম লঙ্ঘন।

৩. অফিস সময়ে অবহেলা: তিনি নিয়মিত অফিসে আসেন না। আসলেও সকাল ১১-১২টার দিকে এসে দুপুর ৩টার আগেই মোবাইল ফোন বন্ধ করে চলে যান, যার ফলে দূর-দূরান্ত থেকে আসা সাধারণ মানুষ কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ৪. অশুভ সিন্ডিকেট তৈরি: পরিষদের গুটিকয়েক জনপ্রতিনিধির সাথে একটি অশুভ সিন্ডিকেট গড়ে তুলে বিভিন্ন অনৈতিক ও অবৈধ কাজের মাধ্যমে গড়াডোবা ইউনিয়ন পরিষদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

​এলাকাবাসী ও প্রশাসনের বক্তব্য: এলাকাবাসীর দাবি, একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তার এমন বেপরোয়া আচরণ ও দুর্নীতি কোনোভাবেই কাম্য নয়। বদলি হওয়ার পরও তার এমন জোরপূর্বক চেয়ার আঁকড়ে থাকা এবং অবৈধভাবে স্বাক্ষর করার পেছনে বড় কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ​

এ বিষয়ে গড়াডোবা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক উজ্জল সাহা বলেন,  বিষটি আমার অবগত, আমি ইউএনও স্যিারের সাথে কথা বলব।

ইউনিয়ন সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহল রনি চন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে দ্রুত বিভাগীয় তদন্তপূর্বক কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ইউনিয়ন পরিষদের স্বচ্ছতা ও সম্মান ফিরিয়ে আনার জন্য নেত্রকোণা জেলা প্রশাসক ও উপ-পরিচালক (স্থানীয় সরকার শাখা) এর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Gojnobi biplob

Popular Post

নেত্রকোণার মদনে পরীক্ষা কেন্দ্রে অবাধে নকলের অভিযোগ:

বদলি হয়েও চেয়ার ছাড়ছেন না রনি চন্দ্র সরকার: অবমুক্তির পর অবৈধ স্বাক্ষরে চলছে অফিস

প্রকাশের সময় : ১০:১৭:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

 নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার ৪নং গড়াডোবা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা  রনি চন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে বদলি আদেশ অমান্য করে জোরপূর্বক অফিস করা এবং অবৈধভাবে দাপ্তরিক নথিপত্র ও অফিসিয়াল কাগজে স্বাক্ষর করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

জেলা প্রশাসকের স্পষ্ট নির্দেশ অমান্য করে গত ২২ জুন অবমুক্ত (Stand Release) হওয়ার পরও তিনি নিয়মিত অফিস করে যাচ্ছেন, যা নিয়ে এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও প্রশাসনিক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

​পুরোনো কর্মস্থলেও ছিল অনিয়মের পাহাড়, নেপথ্যে ‘অদৃশ্য শক্তি’: অনুসন্ধানে জানা গেছে, রনি চন্দ্র সরকারের এই বেপরোয়া ও আইন অমান্য করার প্রবণতা নতুন কিছু নয়। গড়াডোবা ইউনিয়নে যোগদানের পূর্বে নেত্রকোণার আটপাড়া উপজেলার দুওজ ইউনিয়ন পরিষদ এবং মদন উপজেলার সদর ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত থাকা অবস্থায়ও তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল।

বিশেষ করে দুওজ ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত থাকাকালীন ২০২৫-২০২৬ চক্রের দুস্থ মহিলা উন্নয়ন (ভিডব্লিউবি) কর্মসূচির আওতায় উপকারভোগী নির্বাচনে সরকারি পরিপত্র লঙ্ঘন করে নিজের ইচ্ছা মাফিক কমিটি গঠন এবং অনিয়মিত কমিটির মাধ্যমে ৬৮ জন অযোগ্য ও সচ্ছল নারীর নাম তালিকাভুক্ত করার গুরুতর অভিযোগ ওঠে। তখন ২৩ জন অভিযোগকারীর যৌথ স্বাক্ষরসহ এই সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ জেলা প্রশাসক বরাবর জমা দেওয়া হয়েছিল।

স্থানীয়দের অভিযোগ, অতীতে বিভিন্ন কর্মস্থলে একের পর এক অনিয়ম ও দুর্নীতি করলেও এক ‘অদৃশ্য শক্তির’ খুঁটির জোরে প্রতিবারই পার পেয়ে গেছেন তিনি। কোনো এক প্রভাবশালী মহলের আশ্রয়-প্রশ্রয় থাকায় জেলা প্রশাসকের বদলি আদেশকেও তিনি তোয়াক্কা করছেন না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

​বদলি আদেশ ও ‘স্ট্যান্ড রিলিজ’ অমান্য: অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, গত ১৫ জুন ২০২৬ তারিখে নেত্রকোণা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার শাখা থেকে জারিকৃত এক অফিস আদেশে (স্মারক নম্বর: ০৫.৪২.৭২০০.০১১.১১.০০০১.২২.৪১৪) প্রশাসনিক প্রয়োজনে রনি চন্দ্র সরকারকে গড়াডোবা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে মোহনগঞ্জ উপজেলার ৬নং সুয়াইর ইউনিয়ন পরিষদে বদলি করা হয়। আদেশের ০২ নম্বর শর্তে উল্লেখ ছিল, ২২ জুন ২০২৬ তারিখের মধ্যে বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদান না করলে তিনি উক্ত তারিখ অপরাহ্ণে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত (Stand Release) বলে গণ্য হবেন। ​

একই আদেশে ৩নং দলপা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা জনাব গৌতম তরফদারকে ৪নং গড়াডোবা ইউনিয়ন পরিষদের অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করা হয়। কিন্তু আইনগতভাবে অবমুক্ত হওয়ার পরও কোনো প্রকার লিখিত স্থগিতাদেশ ছাড়াই রনি চন্দ্র সরকার গত ২৫ জুন পর্যন্ত সব অফিসিয়াল কাগজে স্বাক্ষর করে গেছেন এবং আগামী রবিবার থেকেও রেগুলার অফিস করার ঘোষণা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

​বর্তমান কর্মস্থল গড়াডোবার দুর্নীতি ও জাতীয় দিবস অবমাননার বিবরণ: এর আগে রনি চন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে গড়াডোবা ইউনিয়নে চলমান অনিয়ম, জاليةতি ও দুর্নীতির নানা বিবরণ এনে নেত্রকোণা জেলা প্রশাসক বরাবর এলাকাবাসীর পক্ষে মোঃ সিদ্দিকুর রহমান একটি লিখিত পুনঃআবেদন দাখিল করেন। ওই অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, রনি চন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে এর আগেও ‘ভুয়া মাতৃত্বকালীন কার্ড’ তৈরির বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (UNO) ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল।

​লিখিত অভিযোগে রনি চন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ৪টি অনিয়ম তুলে ধরা হয়: ১. মাতৃত্ব কার্ডে ভয়াবহ জালিয়াতি: বিগত ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মাসে তিনি জনৈক ইউপি সদস্যের সাথে যোগসাজশ করে ওই সদস্যের বাড়ির ২ জন নারী—যারা প্রকৃতপক্ষে গর্ভবতী নন—তাদের নামে অবৈধভাবে ‘মাতৃত্বকালীন কার্ড’ তৈরি করে সরকারি ভাতার অর্থ অপব্যবহারের সুযোগ করে দেন। ২. জাতীয় পতাকার অবমাননা: ১৬ই ডিসেম্বর, ২১শে ফেব্রুয়ারি এবং ২৬শে মার্চসহ রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবস এবং সাধারণ কর্মদিবসেও তিনি ইউনিয়ন পরিষদে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন না, যা রাষ্ট্রীয় বিধিমালার চরম লঙ্ঘন।

৩. অফিস সময়ে অবহেলা: তিনি নিয়মিত অফিসে আসেন না। আসলেও সকাল ১১-১২টার দিকে এসে দুপুর ৩টার আগেই মোবাইল ফোন বন্ধ করে চলে যান, যার ফলে দূর-দূরান্ত থেকে আসা সাধারণ মানুষ কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ৪. অশুভ সিন্ডিকেট তৈরি: পরিষদের গুটিকয়েক জনপ্রতিনিধির সাথে একটি অশুভ সিন্ডিকেট গড়ে তুলে বিভিন্ন অনৈতিক ও অবৈধ কাজের মাধ্যমে গড়াডোবা ইউনিয়ন পরিষদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

​এলাকাবাসী ও প্রশাসনের বক্তব্য: এলাকাবাসীর দাবি, একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তার এমন বেপরোয়া আচরণ ও দুর্নীতি কোনোভাবেই কাম্য নয়। বদলি হওয়ার পরও তার এমন জোরপূর্বক চেয়ার আঁকড়ে থাকা এবং অবৈধভাবে স্বাক্ষর করার পেছনে বড় কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ​

এ বিষয়ে গড়াডোবা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক উজ্জল সাহা বলেন,  বিষটি আমার অবগত, আমি ইউএনও স্যিারের সাথে কথা বলব।

ইউনিয়ন সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহল রনি চন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে দ্রুত বিভাগীয় তদন্তপূর্বক কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ইউনিয়ন পরিষদের স্বচ্ছতা ও সম্মান ফিরিয়ে আনার জন্য নেত্রকোণা জেলা প্রশাসক ও উপ-পরিচালক (স্থানীয় সরকার শাখা) এর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।