ঢাকা ০৮:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুষ্টিয়ায় ৪টি সংসদীয় আসনে ১৭ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

কুষ্টিয়া জেলায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৪টি সংসদীয় আসনে ১৭ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলার চারটি সংসদীয় আসনে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ ১৪টি রাজনৈতিক দলের ২৫ জন অংশগ্রহণ করেন। এদের মধ্যে একমাত্র নারী প্রার্থী ছিলেন বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পরিপত্র অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় প্রদত্ত মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগের কম বা শতকরা সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট যদি না পান তাহলে তার জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত হয়।

জেলার রিটার্নিং কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনে ভোট দিয়েছেন ২ লাখ ৮২ হাজার ৫৪৩ জন। জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত প্রার্থীরা হচ্ছেন সমাজতান্ত্রিক দলের-‌জেএস‌ডি মো. গিয়াস উদ্দীন (তারা প্রতীক) পেয়েছেন ২০৩ ভোট, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো. বদিরুজ্জামান (মোমবাতি প্রতীক) পেয়েছেন ২৪১ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আমিনুল ইসলাম (হাতপাখা প্রতীক) পেয়েছেন ৪ হাজার ৬৩ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী) মো. নুরুজ্জামান হাবলু মোল্লা (সাইকেল প্রতীক) পেয়েছেন ১৭ হাজার ৮৬৪ ভোট, গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) মো. শাহাবুল ইসলাম (ট্রাক প্রতীক) পেয়েছেন ৬১৩ ভোট এবং জাতীয় পার্টির মো. শাহারিয়ার জামিল (লাঙ্গল প্রতীক) পেয়েছেন ১ হাজার ৯৪ ভোট।

কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনে ভোট দিয়েছেন ৩ লাখ ৪৮ হাজার ৯ ১১ জন। জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত প্রার্থীরা হচ্ছেন বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির নূর উদ্দিন আহমেদ (কাস্তে প্রতীক) পেয়েছেন ৮০ ভোট, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. বাবুল আক্তার (চেয়ার প্রতীক) পেয়েছেন ১ হাজার ১২৩ ভোট ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র মোহাম্মদ আলী (হাতপাখা প্রতীক) পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৮৭ ভোট।

কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে ভোট দিয়েছেন ৩ লাখ ২১ হাজার ৩২৩ জন। জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত প্রার্থীরা হচ্ছেন বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) মীর নাজমুল ইসলাম (মই প্রতীক) পেয়েছেন ৪৪২ ভোট, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মোছা. রুম্পা খাতুন (হাতি প্রতীক) পেয়েছেন ৪৭৫ ভোট, গণঅধিকার পরিষদের মোহা. শরিফুল ইসলাম (ট্রাক প্রতীক) পেয়েছেন ২৯৯ ভোট ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র মো. আব্দুল্লাহ্ আকন্দ (হাতপাখা প্রতীক) পেয়েছেন ৫ হাজার ১৫৩ ভোট।

কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) এই আসনে মোট ভোট দিয়েছেন ৩ লাখ ৮ হাজার ২৬০ জন। জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত প্রার্থীরা হচ্ছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আনোয়ার খান (হাতপাখা প্রতীক) পেয়েছেন ১ হাজার ৩৭৩ ভোট, বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির (বিএমজেপি) তরুণ কুমার ঘোষ (রকেট প্রতীক) পেয়েছেন ৬৭১ ভোট, গণফোরামের মো. আব্দুল হাকিম মিঞা (উদীয়মান সূর্য) প্রতীকে পেয়েছেন ২৫৫ ভোট ও বাংলাদেশ লেবার পার্টির মো. শহিদুল ইসলাম (আনারস প্রতীক) পেয়েছেন ৩০৮ ভোট।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Gojnobi biplob

স্বামী বিদেশে থাকতেই অন্তঃসত্ত্বা, পরে গোপন গর্ভপাতের অভিযোগ চিকিৎসা প্রতিবেদনে ‘অসম্পূর্ণ গর্ভপাত’, এফিডেভিটের পর ঘটনাপ্রবাহ ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য

কুষ্টিয়ায় ৪টি সংসদীয় আসনে ১৭ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

প্রকাশের সময় : ১২:৫০:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কুষ্টিয়া জেলায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৪টি সংসদীয় আসনে ১৭ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলার চারটি সংসদীয় আসনে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ ১৪টি রাজনৈতিক দলের ২৫ জন অংশগ্রহণ করেন। এদের মধ্যে একমাত্র নারী প্রার্থী ছিলেন বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পরিপত্র অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় প্রদত্ত মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগের কম বা শতকরা সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট যদি না পান তাহলে তার জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত হয়।

জেলার রিটার্নিং কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনে ভোট দিয়েছেন ২ লাখ ৮২ হাজার ৫৪৩ জন। জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত প্রার্থীরা হচ্ছেন সমাজতান্ত্রিক দলের-‌জেএস‌ডি মো. গিয়াস উদ্দীন (তারা প্রতীক) পেয়েছেন ২০৩ ভোট, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো. বদিরুজ্জামান (মোমবাতি প্রতীক) পেয়েছেন ২৪১ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আমিনুল ইসলাম (হাতপাখা প্রতীক) পেয়েছেন ৪ হাজার ৬৩ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী) মো. নুরুজ্জামান হাবলু মোল্লা (সাইকেল প্রতীক) পেয়েছেন ১৭ হাজার ৮৬৪ ভোট, গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) মো. শাহাবুল ইসলাম (ট্রাক প্রতীক) পেয়েছেন ৬১৩ ভোট এবং জাতীয় পার্টির মো. শাহারিয়ার জামিল (লাঙ্গল প্রতীক) পেয়েছেন ১ হাজার ৯৪ ভোট।

কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনে ভোট দিয়েছেন ৩ লাখ ৪৮ হাজার ৯ ১১ জন। জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত প্রার্থীরা হচ্ছেন বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির নূর উদ্দিন আহমেদ (কাস্তে প্রতীক) পেয়েছেন ৮০ ভোট, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. বাবুল আক্তার (চেয়ার প্রতীক) পেয়েছেন ১ হাজার ১২৩ ভোট ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র মোহাম্মদ আলী (হাতপাখা প্রতীক) পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৮৭ ভোট।

কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে ভোট দিয়েছেন ৩ লাখ ২১ হাজার ৩২৩ জন। জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত প্রার্থীরা হচ্ছেন বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) মীর নাজমুল ইসলাম (মই প্রতীক) পেয়েছেন ৪৪২ ভোট, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মোছা. রুম্পা খাতুন (হাতি প্রতীক) পেয়েছেন ৪৭৫ ভোট, গণঅধিকার পরিষদের মোহা. শরিফুল ইসলাম (ট্রাক প্রতীক) পেয়েছেন ২৯৯ ভোট ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র মো. আব্দুল্লাহ্ আকন্দ (হাতপাখা প্রতীক) পেয়েছেন ৫ হাজার ১৫৩ ভোট।

কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) এই আসনে মোট ভোট দিয়েছেন ৩ লাখ ৮ হাজার ২৬০ জন। জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত প্রার্থীরা হচ্ছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আনোয়ার খান (হাতপাখা প্রতীক) পেয়েছেন ১ হাজার ৩৭৩ ভোট, বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির (বিএমজেপি) তরুণ কুমার ঘোষ (রকেট প্রতীক) পেয়েছেন ৬৭১ ভোট, গণফোরামের মো. আব্দুল হাকিম মিঞা (উদীয়মান সূর্য) প্রতীকে পেয়েছেন ২৫৫ ভোট ও বাংলাদেশ লেবার পার্টির মো. শহিদুল ইসলাম (আনারস প্রতীক) পেয়েছেন ৩০৮ ভোট।