
ছবি সংগৃহীতঃ
নেত্রকোণা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার ৪নং গড়াডোবা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা রনি চন্দ্র সরকারের বিরুদ্বে অনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি (মাতৃত্ব কালনি ভাতার কার্ড ) তৈরীর ও যাচাই বাছাইয়ে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
উইনিয়নের বিদ্যাবল্লভ গ্রামের ছিদ্দিকুর রহমান সচিবের অনিয়ম দুর্নীতির বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর এক লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বিদ্যাবল্লভ গ্রামের রিদয় মিয়ার স্ত্রী সাইমা আক্তার সুপারিশ কালীন সময়ে তিনি গর্ভবতি ছিলেন না। দুই-তিন মাস আগে তার সন্তানের জন্ম হয়।
একই গ্রামের আয়াতুল কুরসীর স্ত্রী মর্জিনা বেগম তার নামেও একটি মাতৃত্ব কালনি ভাতার কার্ড সুপারিশ ও সম্পন্য হয়েছে। খুঁজ নিয়ে দেখা যায় উক্ত নারী গর্ভবতি নন। স্বামী পরিচয় ক্ষেত্রেও তথ্যের রয়েছে গড়মিল ।
ছিদ্দিকুর রহমান আরও জানান, এই সচিব গড়াডোবা ইউনিয়ন পরিষদে আসার পর থেকেই একটার পর একটা অনিয়ম দুর্নীতি করে আসছে। ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসকের কাছে বিষয়টি প্রথমে মৌখিক ভাবে জানানো হলে তিনি কোন পদক্ষেপ না নেওয়ায় ইউএনও স্যারের কাছে আবেদন করতে বাধ্য হয়েছি। আমরা এলাকাবাসী এই দুর্নীতিরাজ সচিবের প্রত্যাহার চাই।
প্রশাসনিক কর্মকর্তা রনি চন্দ্র সরকার জানান, আমি এই পরিষদে নতুন। সবকিছু বুঝে উঠতে পারিনি। আবদনে তথ্য যেমন তারা দিয়েছে আমি সে মতে সুপারিশ করেছি।
নেত্রকোনা প্রতিনিধি 








