ঢাকা ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তাঁতীদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা খুলনায়

  • খুলনা প্রতিনিদি
  • প্রকাশের সময় : ১২:৪৩:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
  • ২৬২ বার পড়া হয়েছে

খুলনার খালিশপুরে তাঁতী দলের নেতা সোনা মিয়াকে (৩৮) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার মধ্যরাতে নগরীর খালিশপুরের নয়াবাটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সোনা মিয়া নয়াবাটি এলাকার বাসিন্দা জব্বার সরদারের ছেলে। তিনি তাঁতী দলের খালিশপুর থানার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের আহ্বায়ক ছিলেন।

স্থানীয় এক নৈশপ্রহরী জানান, সোনা মিয়া তার নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অবস্থান করছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেলে করে তিনজন দুর্বৃত্ত এসে দোকানের ভেতরে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। তাদের মধ্যে একজন হেলমেট এবং বাকি দুজন মুখে মাস্ক পরা ছিল।

গুরুতর আহত অবস্থায় তিনি সেখান থেকে দৌড়ে পাশের একটি বাসায় আশ্রয় নেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে খুলনা খালিশপুর ক্লিনিকে নিয়ে যায়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

খালিশপুর থানার ডিউটি অফিসার ইউসুফ জানান, ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। হত্যাকাণ্ডের কারণ উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Gojnobi biplob

স্বামী বিদেশে থাকতেই অন্তঃসত্ত্বা, পরে গোপন গর্ভপাতের অভিযোগ চিকিৎসা প্রতিবেদনে ‘অসম্পূর্ণ গর্ভপাত’, এফিডেভিটের পর ঘটনাপ্রবাহ ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য

তাঁতীদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা খুলনায়

প্রকাশের সময় : ১২:৪৩:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

খুলনার খালিশপুরে তাঁতী দলের নেতা সোনা মিয়াকে (৩৮) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার মধ্যরাতে নগরীর খালিশপুরের নয়াবাটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সোনা মিয়া নয়াবাটি এলাকার বাসিন্দা জব্বার সরদারের ছেলে। তিনি তাঁতী দলের খালিশপুর থানার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের আহ্বায়ক ছিলেন।

স্থানীয় এক নৈশপ্রহরী জানান, সোনা মিয়া তার নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অবস্থান করছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেলে করে তিনজন দুর্বৃত্ত এসে দোকানের ভেতরে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। তাদের মধ্যে একজন হেলমেট এবং বাকি দুজন মুখে মাস্ক পরা ছিল।

গুরুতর আহত অবস্থায় তিনি সেখান থেকে দৌড়ে পাশের একটি বাসায় আশ্রয় নেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে খুলনা খালিশপুর ক্লিনিকে নিয়ে যায়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

খালিশপুর থানার ডিউটি অফিসার ইউসুফ জানান, ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। হত্যাকাণ্ডের কারণ উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু হয়েছে।