ঢাকা ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানালেন বৃক্ষপ্রেমিক আব্দুল হামিদ

 গত ১৬ জুন নেত্রকোণা থেকে প্রকাশিত ‘দৈনিক দেশকণ্ঠস্বর’ পত্রিকায় “বৃক্ষপ্রেমিক মানবসেবক আব্দুল হামিদ শরবতের নামে খাওয়াচ্ছেন সাধারণ মানুষকে ক্ষতিকর কেমিক্যাল” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভুক্তভোগী আব্দুল হামিদ।

তিনি উক্ত সংবাদটিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। ​এক বিবৃতিতে বৃক্ষপ্রেমিক আব্দুল হামিদ বলেন, ​আমি বিগত ৩০ বছর ধরে নেত্রকোণাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও সেবা দিয়ে মানবতার কাজ করে যাচ্ছি।

আমার কাছে কোনো হতদরিদ্র ও অসহায় মানুষ আসলে আমি সাধ্যমতো সাহায্য করি। এমনকি অর্থাভাবে চিকিৎসা করাতে না পারা পচন ধরা রোগীদের নিজ হাতে ক্ষতস্থান পরিষ্কার করে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে আসছি।

​তিনি আরও জানান, নেত্রকোণার জয়নগর এলাকায় তাঁর একটি শরবতের দোকান রয়েছে, যেখানে প্রতিদিন শত শত মানুষ তৃষ্ণা মেটায়। জীবনের কোনো পর্যায়েই তিনি মানুষের উপকারের বাইরে কখনো ক্ষতির চিন্তা করেননি। আর্তমানবতার সেবার পাশাপাশি তিনি এতিম শিশুদেরও লালন-পালন করে আসছেন এবং মৃত্যুর পূর্বমুহূর্ত পর্যন্ত নিজেকে মানবসেবায় নিয়োজিত রাখতে চান।

​সংবাদ প্রকাশের পেছনের আসল কারণ ​প্রতিবাদের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরে আব্দুল হামিদ বলেন, ‘দৈনিক দেশকণ্ঠস্বর’ পত্রিকার বর্তমান সম্পাদক জালাল চৌধুরীর সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ক ছিল। ২০১৪ সালে আব্দুল হামিদের মানবসেবামূলক কর্মকাণ্ড দেখে জালাল চৌধুরী তাঁকে একটি স্থায়ী জায়গার ব্যবস্থা করে দেওয়ার আশ্বাস দেন। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক থাকার সুবাদে সরকারি খাস জমি পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে তিনি বিভিন্ন খরচের অজুহাতে আব্দুল হামিদের কাছ থেকে পর্যায়ক্রমে ২৯,০০০ (ঊনত্রিশ হাজার) টাকা নেন।

​ভুক্তভোগী আব্দুল হামিদ অভিযোগ করেন: ​২০১৪ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ১২ বছরেও জালাল চৌধুরী কোনো জায়গার ব্যবস্থা করে দিতে পারেননি। ​সম্প্রতি আব্দুল হামিদ তাঁর পাওনা ২৯,০০০ টাকা ফেরত চাইলে তাঁদের মধ্যে দূরত্বের সৃষ্টি হয়। ​টাকা ফেরত চাওয়াই তাঁর জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। ​

আব্দুল হামিদের দাবি, জালাল চৌধুরী পত্রিকার মালিক ও সম্পাদক হওয়ার সুবাদে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে সম্পূর্ণ মনগড়া, কাল্পনিক ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ করে তাঁকে সামাজিক ও মানসিকভাবে হয়রানি করছেন। তিনি এই মিথ্যা সংবাদের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রশাসনের সুদৃষ্টি ও সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Gojnobi biplob

Popular Post

নেত্রকোণার মদনে পরীক্ষা কেন্দ্রে অবাধে নকলের অভিযোগ:

প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানালেন বৃক্ষপ্রেমিক আব্দুল হামিদ

প্রকাশের সময় : ১২:১১:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

 গত ১৬ জুন নেত্রকোণা থেকে প্রকাশিত ‘দৈনিক দেশকণ্ঠস্বর’ পত্রিকায় “বৃক্ষপ্রেমিক মানবসেবক আব্দুল হামিদ শরবতের নামে খাওয়াচ্ছেন সাধারণ মানুষকে ক্ষতিকর কেমিক্যাল” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভুক্তভোগী আব্দুল হামিদ।

তিনি উক্ত সংবাদটিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। ​এক বিবৃতিতে বৃক্ষপ্রেমিক আব্দুল হামিদ বলেন, ​আমি বিগত ৩০ বছর ধরে নেত্রকোণাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও সেবা দিয়ে মানবতার কাজ করে যাচ্ছি।

আমার কাছে কোনো হতদরিদ্র ও অসহায় মানুষ আসলে আমি সাধ্যমতো সাহায্য করি। এমনকি অর্থাভাবে চিকিৎসা করাতে না পারা পচন ধরা রোগীদের নিজ হাতে ক্ষতস্থান পরিষ্কার করে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে আসছি।

​তিনি আরও জানান, নেত্রকোণার জয়নগর এলাকায় তাঁর একটি শরবতের দোকান রয়েছে, যেখানে প্রতিদিন শত শত মানুষ তৃষ্ণা মেটায়। জীবনের কোনো পর্যায়েই তিনি মানুষের উপকারের বাইরে কখনো ক্ষতির চিন্তা করেননি। আর্তমানবতার সেবার পাশাপাশি তিনি এতিম শিশুদেরও লালন-পালন করে আসছেন এবং মৃত্যুর পূর্বমুহূর্ত পর্যন্ত নিজেকে মানবসেবায় নিয়োজিত রাখতে চান।

​সংবাদ প্রকাশের পেছনের আসল কারণ ​প্রতিবাদের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরে আব্দুল হামিদ বলেন, ‘দৈনিক দেশকণ্ঠস্বর’ পত্রিকার বর্তমান সম্পাদক জালাল চৌধুরীর সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ক ছিল। ২০১৪ সালে আব্দুল হামিদের মানবসেবামূলক কর্মকাণ্ড দেখে জালাল চৌধুরী তাঁকে একটি স্থায়ী জায়গার ব্যবস্থা করে দেওয়ার আশ্বাস দেন। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক থাকার সুবাদে সরকারি খাস জমি পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে তিনি বিভিন্ন খরচের অজুহাতে আব্দুল হামিদের কাছ থেকে পর্যায়ক্রমে ২৯,০০০ (ঊনত্রিশ হাজার) টাকা নেন।

​ভুক্তভোগী আব্দুল হামিদ অভিযোগ করেন: ​২০১৪ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ১২ বছরেও জালাল চৌধুরী কোনো জায়গার ব্যবস্থা করে দিতে পারেননি। ​সম্প্রতি আব্দুল হামিদ তাঁর পাওনা ২৯,০০০ টাকা ফেরত চাইলে তাঁদের মধ্যে দূরত্বের সৃষ্টি হয়। ​টাকা ফেরত চাওয়াই তাঁর জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। ​

আব্দুল হামিদের দাবি, জালাল চৌধুরী পত্রিকার মালিক ও সম্পাদক হওয়ার সুবাদে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে সম্পূর্ণ মনগড়া, কাল্পনিক ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ করে তাঁকে সামাজিক ও মানসিকভাবে হয়রানি করছেন। তিনি এই মিথ্যা সংবাদের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রশাসনের সুদৃষ্টি ও সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।