ঢাকা ০৬:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেন্দুয়ায় ইয়াবা ব্যাবসায়ীদের সাথে জরিয়ে বিভিন্ন পোষ্টের প্রতিবাদ জানিয়েছে খালিদ সাইফুল্লাহ

ছবি সংগৃহীতঃ

গত ১লা আগষ্ট চট্টগ্রামের রাউজান থানায়  ১৬ হাজার পিছ ইয়াবা সহ আটক হয় চারজন ব্যাবসায়ী। তাদের মধ্যে দুই নারী ছিলেন নেত্রকোণা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের বিদ্যাবল্লভ গ্রামের  ওমর আহম্মেদের কন্যা সাদিয়া আক্তার (২৪) ও একই গ্রামের মৃত ফারুখ আহম্মেদের কন্য নুসরাত জাহান ইভা (১৯)।  গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজবুকে  নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার ৪ নং গড়াডোবা ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াবা ব্যাবসায়ীদের সাথে খালিদ সাইফুল্লাহর নামে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। এ বিষয়ে খালিদ সাইফুল্লাহ তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

সম্প্রতি মাদকসহ আটক হওয়া দুই নারীর সাথে তার নাম জড়ানোর অপচেষ্টা করা হলেও  স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উক্ত ইয়াবা ব্যঅবসা, পাচার বা অবৈধ কর্মকাণ্ডের সাথে খালিদ সাইফুল্লাহর বিন্দুমাত্র কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

​ঘটনা সূত্রে জানা যায়, আটককৃত ব্যক্তিরা সম্পর্কে আত্মীয় বা প্রতিবেশী হলেও তাদের ব্যক্তিগত অপরাধের সাথে খালিদ সাইফুল্লাহ র  কোনো পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ যোগসাজশ  নাই। একটি চক্র উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার রাজনৈতিক ও সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করতে এবং প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করতে এই বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।

​এ বিষয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও এলাকাবাসী জানান, কোনো ব্যক্তির অপকর্মের দায়ভার পুরো গ্রাম কিংবা তার স্বজনরা বহন করবে না। অপরাধী যে-ই হোক না কেন, আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে এবং অপরাধের একক দায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজের।

​খালিদ সাইফুল্লাহ এ বিষয়ে  জানান, “আটককৃতরা আমার আত্মীয় বা প্রতিবেশী হওয়া সত্ত্বেও তাদের ব্যক্তিগত বা অবৈধ কার্যকলাপের দায় সম্পূর্ণ তাদের নিজেদের। উক্ত অপরাধ সংঘটিত হওয়ার সময় বা তাদের কোনো অপকর্মের সাথে আমার কোনো প্রকার পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ ছিল না। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদ্ভাসিত হোক—এটাই আমাদের দাবি।” ​এলাকাবাসী ও সচেতন মহল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে কোনো নির্দোষ ব্যক্তি বা সামাজিক ব্যক্তিত্ব রাজনীতির শিকার বা হয়রানির মুখে না পড়েন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Gojnobi biplob

স্বামী বিদেশে থাকতেই অন্তঃসত্ত্বা, পরে গোপন গর্ভপাতের অভিযোগ চিকিৎসা প্রতিবেদনে ‘অসম্পূর্ণ গর্ভপাত’, এফিডেভিটের পর ঘটনাপ্রবাহ ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য

কেন্দুয়ায় ইয়াবা ব্যাবসায়ীদের সাথে জরিয়ে বিভিন্ন পোষ্টের প্রতিবাদ জানিয়েছে খালিদ সাইফুল্লাহ

প্রকাশের সময় : ১১:১৮:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

ছবি সংগৃহীতঃ

গত ১লা আগষ্ট চট্টগ্রামের রাউজান থানায়  ১৬ হাজার পিছ ইয়াবা সহ আটক হয় চারজন ব্যাবসায়ী। তাদের মধ্যে দুই নারী ছিলেন নেত্রকোণা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের বিদ্যাবল্লভ গ্রামের  ওমর আহম্মেদের কন্যা সাদিয়া আক্তার (২৪) ও একই গ্রামের মৃত ফারুখ আহম্মেদের কন্য নুসরাত জাহান ইভা (১৯)।  গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজবুকে  নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার ৪ নং গড়াডোবা ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াবা ব্যাবসায়ীদের সাথে খালিদ সাইফুল্লাহর নামে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। এ বিষয়ে খালিদ সাইফুল্লাহ তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

সম্প্রতি মাদকসহ আটক হওয়া দুই নারীর সাথে তার নাম জড়ানোর অপচেষ্টা করা হলেও  স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উক্ত ইয়াবা ব্যঅবসা, পাচার বা অবৈধ কর্মকাণ্ডের সাথে খালিদ সাইফুল্লাহর বিন্দুমাত্র কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

​ঘটনা সূত্রে জানা যায়, আটককৃত ব্যক্তিরা সম্পর্কে আত্মীয় বা প্রতিবেশী হলেও তাদের ব্যক্তিগত অপরাধের সাথে খালিদ সাইফুল্লাহ র  কোনো পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ যোগসাজশ  নাই। একটি চক্র উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার রাজনৈতিক ও সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করতে এবং প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করতে এই বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।

​এ বিষয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও এলাকাবাসী জানান, কোনো ব্যক্তির অপকর্মের দায়ভার পুরো গ্রাম কিংবা তার স্বজনরা বহন করবে না। অপরাধী যে-ই হোক না কেন, আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে এবং অপরাধের একক দায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজের।

​খালিদ সাইফুল্লাহ এ বিষয়ে  জানান, “আটককৃতরা আমার আত্মীয় বা প্রতিবেশী হওয়া সত্ত্বেও তাদের ব্যক্তিগত বা অবৈধ কার্যকলাপের দায় সম্পূর্ণ তাদের নিজেদের। উক্ত অপরাধ সংঘটিত হওয়ার সময় বা তাদের কোনো অপকর্মের সাথে আমার কোনো প্রকার পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ ছিল না। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদ্ভাসিত হোক—এটাই আমাদের দাবি।” ​এলাকাবাসী ও সচেতন মহল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে কোনো নির্দোষ ব্যক্তি বা সামাজিক ব্যক্তিত্ব রাজনীতির শিকার বা হয়রানির মুখে না পড়েন।