ঢাকা ১২:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় পলাশবাড়ীতে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতি-নবজাতকের মৃত্যু, ক্লিনিক ভাঙচুর

ছবি সংগৃহিত

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ভুল চিকিৎসার অভিযোগে এক প্রসূতি নারী ও নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। নিহতের নাম পারুল বেগম (২৫)। তিনি পলাশবাড়ী পৌরসভার জামালপুর এলাকার বাদশা মিয়ার মেয়ে এবং উপজেলার মহদীপুর ইউনিয়নের বিশ্রামগাছী এলাকার শামিম মিয়ার স্ত্রী।

পরিবারের অভিযোগ, শুক্রবার সন্ধ্যায় পারুল বেগমকে সিজার করানোর জন্য পলাশবাড়ী মা ক্লিনিক অ্যান্ড নার্সিং হোমে ভর্তি করা হয়। রাত প্রায় ১১টার দিকে তার সিজার অপারেশন শুরু করে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ। পরে ভুল চিকিৎসার কারণে ভোর ৪টার দিকে পারুল ও নবজাতক দুজনই মারা যান।

ঘটনার পর শনিবার সকালে পারুলের স্বজনরা ক্ষোভ প্রকাশ করে ক্লিনিকে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের চেষ্টা চালান। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ বিষয়ে মা ক্লিনিক অ্যান্ড নার্সিং হোমের মালিক ফাতেমা বেগমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুলফিকার আলী ভুট্ট বলেন, ‘প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনায় উত্তেজনা দেখা দিয়েছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ও প্রশাসনের সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Gojnobi biplob

Popular Post

নেত্রকোণার মদনে পরীক্ষা কেন্দ্রে অবাধে নকলের অভিযোগ:

গাইবান্ধায় পলাশবাড়ীতে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতি-নবজাতকের মৃত্যু, ক্লিনিক ভাঙচুর

প্রকাশের সময় : ০৪:০৭:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫
ছবি সংগৃহিত

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ভুল চিকিৎসার অভিযোগে এক প্রসূতি নারী ও নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। নিহতের নাম পারুল বেগম (২৫)। তিনি পলাশবাড়ী পৌরসভার জামালপুর এলাকার বাদশা মিয়ার মেয়ে এবং উপজেলার মহদীপুর ইউনিয়নের বিশ্রামগাছী এলাকার শামিম মিয়ার স্ত্রী।

পরিবারের অভিযোগ, শুক্রবার সন্ধ্যায় পারুল বেগমকে সিজার করানোর জন্য পলাশবাড়ী মা ক্লিনিক অ্যান্ড নার্সিং হোমে ভর্তি করা হয়। রাত প্রায় ১১টার দিকে তার সিজার অপারেশন শুরু করে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ। পরে ভুল চিকিৎসার কারণে ভোর ৪টার দিকে পারুল ও নবজাতক দুজনই মারা যান।

ঘটনার পর শনিবার সকালে পারুলের স্বজনরা ক্ষোভ প্রকাশ করে ক্লিনিকে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের চেষ্টা চালান। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ বিষয়ে মা ক্লিনিক অ্যান্ড নার্সিং হোমের মালিক ফাতেমা বেগমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুলফিকার আলী ভুট্ট বলেন, ‘প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনায় উত্তেজনা দেখা দিয়েছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ও প্রশাসনের সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।’