ঢাকা ০৭:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী ফাতেমাকে গলা কেটে হত্যার চাঞ্চল্যকর তথ্য দিল গ্রেপ্তার করা হোটেল কর্মচারী মিলন



রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী ফাতেমা আক্তার লিলি (১৭) হত্যা মামলার প্রধান আসামি হোটেল কর্মচারী মিলনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের স্বীকারোক্তি দেওয়ার পাশাপাশি ওই তরুণীকে প্রেমের প্রস্তাব দেওয়ার কথাও জানিয়েছে সে।

মিলনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে র‌্যাব-৩ জানায়, গ্রেপ্তার মিলন মল্লিকের সঙ্গে নিহত স্কুলছাত্রী লিলির সুসম্পর্ক ছিল। তবে এই সম্পর্কের সুবাদে সে বিভিন্ন সময় আকার-ইঙ্গিতে লিলির কাছে প্রেমের বহিঃপ্রকাশ করত এবং লিলির পরিবার বাসা থেকে গ্রামের বাড়িতে গেলে মিলন লিলিকে নিয়ে পালিয়ে যাবে বলে তাকে জানায়।

নিহত লিলি স্থানীয় রেডিয়েন্ট স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল।সে হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থানার বামৈন গ্রামের সজীব মিয়ার মেয়ে। নিহতের বড় বোন সোভা বলেন, ‘আমাদের একটি খাবারের হোটেল আছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে হোটেলের কর্মচারী মিলন খাবার নেওয়ার জন্য আমাদের বাসায় আসে। এত রাতে বাসায় আসা নিয়ে লিলি তার সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ায়। শনিবার দুপুরেও মিলন খাবার নিতে বাসায় এসেছিল।

ভেতরে সব কিছু এলোমেলো। আমার বোনকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখি। প্রথমে ভেবেছিলাম সে হয়তো কোনোভাবে আঘাত পেয়েছে। বাড়িওয়ালাকে ডাকলে তারা হাসপাতালে নিতে সহযোগিতা করেননি। পরে এক বন্ধুর মাধ্যমে লিলিকে বনশ্রীর ফরাজী হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে হিজাব খুলে দেখি তার গলায় রশি পেঁচানো এবং গলা কাটা।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Gojnobi biplob

আটপাড়ায় জমি দখলের অভিযোগ এনে সংবাদকর্মীর বিরুদ্বে মানববন্ধন ।

বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী ফাতেমাকে গলা কেটে হত্যার চাঞ্চল্যকর তথ্য দিল গ্রেপ্তার করা হোটেল কর্মচারী মিলন

প্রকাশের সময় : ০১:১০:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী ফাতেমা আক্তার লিলি (১৭) হত্যা মামলার প্রধান আসামি হোটেল কর্মচারী মিলনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের স্বীকারোক্তি দেওয়ার পাশাপাশি ওই তরুণীকে প্রেমের প্রস্তাব দেওয়ার কথাও জানিয়েছে সে।

মিলনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে র‌্যাব-৩ জানায়, গ্রেপ্তার মিলন মল্লিকের সঙ্গে নিহত স্কুলছাত্রী লিলির সুসম্পর্ক ছিল। তবে এই সম্পর্কের সুবাদে সে বিভিন্ন সময় আকার-ইঙ্গিতে লিলির কাছে প্রেমের বহিঃপ্রকাশ করত এবং লিলির পরিবার বাসা থেকে গ্রামের বাড়িতে গেলে মিলন লিলিকে নিয়ে পালিয়ে যাবে বলে তাকে জানায়।

নিহত লিলি স্থানীয় রেডিয়েন্ট স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল।সে হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থানার বামৈন গ্রামের সজীব মিয়ার মেয়ে। নিহতের বড় বোন সোভা বলেন, ‘আমাদের একটি খাবারের হোটেল আছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে হোটেলের কর্মচারী মিলন খাবার নেওয়ার জন্য আমাদের বাসায় আসে। এত রাতে বাসায় আসা নিয়ে লিলি তার সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ায়। শনিবার দুপুরেও মিলন খাবার নিতে বাসায় এসেছিল।

ভেতরে সব কিছু এলোমেলো। আমার বোনকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখি। প্রথমে ভেবেছিলাম সে হয়তো কোনোভাবে আঘাত পেয়েছে। বাড়িওয়ালাকে ডাকলে তারা হাসপাতালে নিতে সহযোগিতা করেননি। পরে এক বন্ধুর মাধ্যমে লিলিকে বনশ্রীর ফরাজী হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে হিজাব খুলে দেখি তার গলায় রশি পেঁচানো এবং গলা কাটা।’