ঢাকা ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নড়াইলের কালিয়ায় সেপটিক ট্যাংক থেকে গৃহবধূর গলিত মরদেহ উদ্ধার

  • নড়াইল প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : ১২:২৫:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২১৩ বার পড়া হয়েছে

নড়াইলের কালিয়ায় নিখোঁজের এক মাস আট দিন পর সেপটিক ট্যাংক থেকে সুমি ওরফে আলপনা (৩৫) নামে এক গৃহবধূর গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে উপজেলার শুক্তগ্রামের বাবরা-হাচলা ইউনিয়ন কমিউনিটি ক্লিনিকের পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নিহতের স্বামী আল-আমিন মন্ডল ওরফে ইরানুরকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, কালিয়া উপজেলার শুক্তগ্রাম পূর্বপাড়ার বাসিন্দা আল-আমিন মন্ডল ওরফে ইরানুরের স্ত্রী সুমি ওরফে আলপনা গত ১৯ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ১০টার দিকে শ্বশুরবাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। এরপর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরদিন ২০ ডিসেম্বর নিহতের ভাই মো. সাকিব মোল্যা কালিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আলপনার স্বামীকে হেফাজতে নেয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করলে তার দেওয়া তথ্যে রাতে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। স্বজনরা জানান, সন্দেহ ও যৌতুকের দাবিকে কেন্দ্র করে পরিবারে প্রায়ই কলহ চলছিল।

কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইদ্রিস আলী বলেন, নিখোঁজের ঘটনায় জিডির পর থেকেই পুলিশ তদন্ত শুরু করে। জিজ্ঞাসাবাদে নিহতের স্বামী হত্যার কথা স্বীকার করেন এবং তার দেখানো স্থানে সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Gojnobi biplob

Popular Post

হামের টিকা নিয়ে পূর্ববর্তী সরকারগুলো ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নড়াইলের কালিয়ায় সেপটিক ট্যাংক থেকে গৃহবধূর গলিত মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের সময় : ১২:২৫:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

নড়াইলের কালিয়ায় নিখোঁজের এক মাস আট দিন পর সেপটিক ট্যাংক থেকে সুমি ওরফে আলপনা (৩৫) নামে এক গৃহবধূর গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে উপজেলার শুক্তগ্রামের বাবরা-হাচলা ইউনিয়ন কমিউনিটি ক্লিনিকের পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নিহতের স্বামী আল-আমিন মন্ডল ওরফে ইরানুরকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, কালিয়া উপজেলার শুক্তগ্রাম পূর্বপাড়ার বাসিন্দা আল-আমিন মন্ডল ওরফে ইরানুরের স্ত্রী সুমি ওরফে আলপনা গত ১৯ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ১০টার দিকে শ্বশুরবাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। এরপর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরদিন ২০ ডিসেম্বর নিহতের ভাই মো. সাকিব মোল্যা কালিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আলপনার স্বামীকে হেফাজতে নেয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করলে তার দেওয়া তথ্যে রাতে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। স্বজনরা জানান, সন্দেহ ও যৌতুকের দাবিকে কেন্দ্র করে পরিবারে প্রায়ই কলহ চলছিল।

কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইদ্রিস আলী বলেন, নিখোঁজের ঘটনায় জিডির পর থেকেই পুলিশ তদন্ত শুরু করে। জিজ্ঞাসাবাদে নিহতের স্বামী হত্যার কথা স্বীকার করেন এবং তার দেখানো স্থানে সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।