ঢাকা ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৩৮ হাজারের বেশি নারী ও কন্যাশিশু নিহত হয়েছেন গাজায় চলমান যুদ্ধে

গাজায় চলমান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৩৮ হাজারের বেশি নারী ও কন্যাশিশু নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। নিহতদের মধ্যে ২২ হাজারের বেশি নারী এবং প্রায় ১৬ হাজার কন্যাশিশু রয়েছে। গড়ে প্রতিদিন অন্তত ৪৭ জন নারী ও কন্যাশিশু প্রাণ হারিয়েছেন।

শুক্রবার জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে জাতিসংঘ (নারী) মুখপাত্র সোফিয়া কলটর্প জানান, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ইসরাইলের বিমান হামলা ও স্থল সামরিক অভিযানে এই বিপুলসংখ্যক নারী ও কন্যাশিশু নিহত হয়েছেন।

শুধু প্রাণহানিই নয়, এই সংঘাতে আরও প্রায় ১১ হাজার নারী ও কন্যাশিশু গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন, যাদের অনেকেই আজীবন পঙ্গুত্ব নিয়ে বেঁচে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন।

সংঘাতের কারণে ফিলিস্তিনি পরিবার কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে বলেও জানান সোফিয়া কলটর্প। হাজার হাজার পরিবারে এখন নারীরাই প্রধান উপার্জনকারী হয়ে উঠেছেন। স্বামী হারিয়ে তারা আয়, সহায়তা এবং মৌলিক সেবার সুযোগ ছাড়াই পরিবার চালাতে বাধ্য হচ্ছেন।

এদিকে, যুদ্ধের মধ্যে প্রায় ১০ লাখ নারী ও কন্যাশিশু বারবার বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। একইসঙ্গে প্রায় ৭ লাখ ৯০ হাজার নারী ও কন্যাশিশু চরম খাদ্য সংকটের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানে হামলার মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নতুন মাত্রা পায়, যা গাজার পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। সীমান্ত ক্রসিং বন্ধ থাকা এবং মানবিক সহায়তা প্রবেশে বাধার কারণে চিকিৎসা সহায়তা পাওয়া আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Gojnobi biplob

Popular Post

হামের টিকা নিয়ে পূর্ববর্তী সরকারগুলো ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

৩৮ হাজারের বেশি নারী ও কন্যাশিশু নিহত হয়েছেন গাজায় চলমান যুদ্ধে

প্রকাশের সময় : ০৩:৪৭:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

গাজায় চলমান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৩৮ হাজারের বেশি নারী ও কন্যাশিশু নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। নিহতদের মধ্যে ২২ হাজারের বেশি নারী এবং প্রায় ১৬ হাজার কন্যাশিশু রয়েছে। গড়ে প্রতিদিন অন্তত ৪৭ জন নারী ও কন্যাশিশু প্রাণ হারিয়েছেন।

শুক্রবার জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে জাতিসংঘ (নারী) মুখপাত্র সোফিয়া কলটর্প জানান, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ইসরাইলের বিমান হামলা ও স্থল সামরিক অভিযানে এই বিপুলসংখ্যক নারী ও কন্যাশিশু নিহত হয়েছেন।

শুধু প্রাণহানিই নয়, এই সংঘাতে আরও প্রায় ১১ হাজার নারী ও কন্যাশিশু গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন, যাদের অনেকেই আজীবন পঙ্গুত্ব নিয়ে বেঁচে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন।

সংঘাতের কারণে ফিলিস্তিনি পরিবার কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে বলেও জানান সোফিয়া কলটর্প। হাজার হাজার পরিবারে এখন নারীরাই প্রধান উপার্জনকারী হয়ে উঠেছেন। স্বামী হারিয়ে তারা আয়, সহায়তা এবং মৌলিক সেবার সুযোগ ছাড়াই পরিবার চালাতে বাধ্য হচ্ছেন।

এদিকে, যুদ্ধের মধ্যে প্রায় ১০ লাখ নারী ও কন্যাশিশু বারবার বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। একইসঙ্গে প্রায় ৭ লাখ ৯০ হাজার নারী ও কন্যাশিশু চরম খাদ্য সংকটের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানে হামলার মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নতুন মাত্রা পায়, যা গাজার পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। সীমান্ত ক্রসিং বন্ধ থাকা এবং মানবিক সহায়তা প্রবেশে বাধার কারণে চিকিৎসা সহায়তা পাওয়া আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।