ঢাকা ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারের টেকনাফে ধরা পড়ল ২০০ কেজির ‘পাখি মাছ’

কক্সবাজারের টেকনাফে বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে বিশাল আকৃতির একটি বিরল প্রজাতির ‘পাখি মাছ’। স্থানীয়ভাবে এটি ‘মাইট্যা’ মাছ নামে পরিচিত।

রবিবার সন্ধ্যায় প্রায় ২০০ কেজি ওজনের এই মাছটি টেকনাফ মৎস্য বন্দরে আনা হলে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে। উপকূলে সচরাচর দেখা না মেলা এই মাছটি পরে ভালো দামের আশায় চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছে।

মৎস্য বিশেষজ্ঞদের মতে, মাছটি ‘সেইলফিশ’ বা মার্লিন প্রজাতির। সমুদ্রের অন্যতম দ্রুতগামী এই মাছের পিঠের উপরের পাখনাটি দেখতে অনেকটা পাখির ডানার মতো প্রসারিত। এই বৈশিষ্ট্যের কারণেই স্থানীয় জেলেরা একে ‘পাখি মাছ’ বা ‘পাখি মাইট্যা’ বলে ডাকেন। গভীর সমুদ্রের মাছ হওয়ায় উপকূল সংলগ্ন এলাকায় সাধারণত এমন বড় আকারের মাছ খুব একটা ধরা পড়ে না।

মাছটি বাজারে বিক্রি করতে আনা ট্রলার মালিক শাহপরীর দ্বীপ এলাকার বাসিন্দা সব্বির আহমেদ জানান, শনিবার সকালে তার ট্রলারটি ১১ জন মাঝিমাল্লা-জেলে নিয়ে সাগরে মাছ ধরতে যায়। সেন্টমার্টিন দ্বীপের পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরে জাল ফেললে অন্য মাছের সাথে এই বিশাল আকৃতির মাছটি ধরা পড়ে। বাজারে আনার পর ওজন করে দেখা গেছে এটি প্রায় ২০০ কেজি। স্থানীয় ব্যবসায়ী সৈয়দ আলমের কাছে ৪০ হাজার টাকায় মাছটি বিক্রি করেছেন তিনি।

মাছ ব্যবসায়ী সৈয়দ আলম জানান, টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালী ফিশারিতে বরফ দিয়ে মাছটি সংরক্ষণ করা হয়েছে। বড় আকারের মাছ হওয়ায় স্থানীয় বাজারে উপযুক্ত দাম পাওয়া কঠিন। তাই বিশেষ ব্যবস্থাপনায় অধিক লাভের আশায় মাছটি চট্টগ্রামের বাজারে বিক্রির জন্য পাঠানো হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Gojnobi biplob

Popular Post

হামের টিকা নিয়ে পূর্ববর্তী সরকারগুলো ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

কক্সবাজারের টেকনাফে ধরা পড়ল ২০০ কেজির ‘পাখি মাছ’

প্রকাশের সময় : ১২:০১:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কক্সবাজারের টেকনাফে বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে বিশাল আকৃতির একটি বিরল প্রজাতির ‘পাখি মাছ’। স্থানীয়ভাবে এটি ‘মাইট্যা’ মাছ নামে পরিচিত।

রবিবার সন্ধ্যায় প্রায় ২০০ কেজি ওজনের এই মাছটি টেকনাফ মৎস্য বন্দরে আনা হলে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে। উপকূলে সচরাচর দেখা না মেলা এই মাছটি পরে ভালো দামের আশায় চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছে।

মৎস্য বিশেষজ্ঞদের মতে, মাছটি ‘সেইলফিশ’ বা মার্লিন প্রজাতির। সমুদ্রের অন্যতম দ্রুতগামী এই মাছের পিঠের উপরের পাখনাটি দেখতে অনেকটা পাখির ডানার মতো প্রসারিত। এই বৈশিষ্ট্যের কারণেই স্থানীয় জেলেরা একে ‘পাখি মাছ’ বা ‘পাখি মাইট্যা’ বলে ডাকেন। গভীর সমুদ্রের মাছ হওয়ায় উপকূল সংলগ্ন এলাকায় সাধারণত এমন বড় আকারের মাছ খুব একটা ধরা পড়ে না।

মাছটি বাজারে বিক্রি করতে আনা ট্রলার মালিক শাহপরীর দ্বীপ এলাকার বাসিন্দা সব্বির আহমেদ জানান, শনিবার সকালে তার ট্রলারটি ১১ জন মাঝিমাল্লা-জেলে নিয়ে সাগরে মাছ ধরতে যায়। সেন্টমার্টিন দ্বীপের পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরে জাল ফেললে অন্য মাছের সাথে এই বিশাল আকৃতির মাছটি ধরা পড়ে। বাজারে আনার পর ওজন করে দেখা গেছে এটি প্রায় ২০০ কেজি। স্থানীয় ব্যবসায়ী সৈয়দ আলমের কাছে ৪০ হাজার টাকায় মাছটি বিক্রি করেছেন তিনি।

মাছ ব্যবসায়ী সৈয়দ আলম জানান, টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালী ফিশারিতে বরফ দিয়ে মাছটি সংরক্ষণ করা হয়েছে। বড় আকারের মাছ হওয়ায় স্থানীয় বাজারে উপযুক্ত দাম পাওয়া কঠিন। তাই বিশেষ ব্যবস্থাপনায় অধিক লাভের আশায় মাছটি চট্টগ্রামের বাজারে বিক্রির জন্য পাঠানো হচ্ছে।