ঢাকা ০৫:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আগামী ৩ মার্চ ভোরে আকাশে দেখা যাবে এক বিরল রক্তিম চাঁদ

  • বেঙ্গল নিউজ ডেক্স
  • প্রকাশের সময় : ১২:৩২:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২৩২ বার পড়া হয়েছে

আগামী ৩ মার্চ ভোরে আকাশে দেখা যাবে এক বিরল দৃশ্য। চাঁদ লালচে রঙে ঢেকে যাবে। একে বলা হয় ‘ব্লাড মুন’ বা রক্তিম চাঁদ। ২০২৬ সালের প্রথম পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ হবে এই দিন।

চন্দ্রগ্রহণ কীভাবে হয়?
যখন পৃথিবী সূর্য আর চাঁদের মাঝখানে এসে দাঁড়ায়, তখন পৃথিবীর ছায়া চাঁদের ওপর পড়ে। এই সময় সূর্যের আলো সরাসরি চাঁদে পৌঁছাতে পারে না। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল (পৃথিবীর চারপাশের বাতাসের স্তর) দিয়ে ছেঁকে আসা আলো চাঁদের গায়ে লালচে আভা ফেলে। তাই চাঁদ তামাটে বা লাল দেখায়।

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা জানিয়েছে, এই পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ চলবে প্রায় ৫৮ মিনিট। পূর্ব মান সময় অনুযায়ী সকাল ৬টা ৪ মিনিট থেকে ৭টা ২ মিনিট পর্যন্ত চাঁদ পুরোপুরি পৃথিবীর ছায়ায় থাকবে। এই সময়টাকেই বলা হয় ‘টোটালিটি’ (পূর্ণগ্রহণের সময়)।

সবচেয়ে ভালো দেখা যাবে উত্তর আমেরিকার পশ্চিম অংশে, অস্ট্রেলিয়ায় এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে। পূর্ব এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ায় এটি সন্ধ্যায় দেখা যাবে। উত্তর ও মধ্য আমেরিকায় ভোরে দেখা যাবে। নিউইয়র্কের মতো কিছু শহরে চাঁদ লাল হবে ঠিকই, তবে গভীরতম অংশটি চাঁদ অস্ত যাওয়ার পর ঘটবে, তাই পুরো দৃশ্য দেখা নাও যেতে পারে। আফ্রিকা ও ইউরোপ থেকে এই গ্রহণ দেখা যাবে না।

চন্দ্রগ্রহণ দেখতে কোনো বিশেষ যন্ত্রের দরকার নেই। খালি চোখেই নিরাপদে দেখা যায়। তবে খোলা আকাশ ও অন্ধকার জায়গা হলে ভালো দেখা যাবে। দূরবীন বা টেলিস্কোপ ব্যবহার করলে দৃশ্য আরও পরিষ্কার হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Gojnobi biplob

Popular Post

হামের টিকা নিয়ে পূর্ববর্তী সরকারগুলো ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আগামী ৩ মার্চ ভোরে আকাশে দেখা যাবে এক বিরল রক্তিম চাঁদ

প্রকাশের সময় : ১২:৩২:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আগামী ৩ মার্চ ভোরে আকাশে দেখা যাবে এক বিরল দৃশ্য। চাঁদ লালচে রঙে ঢেকে যাবে। একে বলা হয় ‘ব্লাড মুন’ বা রক্তিম চাঁদ। ২০২৬ সালের প্রথম পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ হবে এই দিন।

চন্দ্রগ্রহণ কীভাবে হয়?
যখন পৃথিবী সূর্য আর চাঁদের মাঝখানে এসে দাঁড়ায়, তখন পৃথিবীর ছায়া চাঁদের ওপর পড়ে। এই সময় সূর্যের আলো সরাসরি চাঁদে পৌঁছাতে পারে না। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল (পৃথিবীর চারপাশের বাতাসের স্তর) দিয়ে ছেঁকে আসা আলো চাঁদের গায়ে লালচে আভা ফেলে। তাই চাঁদ তামাটে বা লাল দেখায়।

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা জানিয়েছে, এই পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ চলবে প্রায় ৫৮ মিনিট। পূর্ব মান সময় অনুযায়ী সকাল ৬টা ৪ মিনিট থেকে ৭টা ২ মিনিট পর্যন্ত চাঁদ পুরোপুরি পৃথিবীর ছায়ায় থাকবে। এই সময়টাকেই বলা হয় ‘টোটালিটি’ (পূর্ণগ্রহণের সময়)।

সবচেয়ে ভালো দেখা যাবে উত্তর আমেরিকার পশ্চিম অংশে, অস্ট্রেলিয়ায় এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে। পূর্ব এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ায় এটি সন্ধ্যায় দেখা যাবে। উত্তর ও মধ্য আমেরিকায় ভোরে দেখা যাবে। নিউইয়র্কের মতো কিছু শহরে চাঁদ লাল হবে ঠিকই, তবে গভীরতম অংশটি চাঁদ অস্ত যাওয়ার পর ঘটবে, তাই পুরো দৃশ্য দেখা নাও যেতে পারে। আফ্রিকা ও ইউরোপ থেকে এই গ্রহণ দেখা যাবে না।

চন্দ্রগ্রহণ দেখতে কোনো বিশেষ যন্ত্রের দরকার নেই। খালি চোখেই নিরাপদে দেখা যায়। তবে খোলা আকাশ ও অন্ধকার জায়গা হলে ভালো দেখা যাবে। দূরবীন বা টেলিস্কোপ ব্যবহার করলে দৃশ্য আরও পরিষ্কার হবে।