
গাজীপুরের শ্রীপুরে ট্রান্সফর্মার বিস্ফোরণে দগ্ধ ইয়াসিন (৩৫) মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে মারা গেছেন। জাতীয় বার্ণ এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার রাতে শাহবাগ থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছে। এদিন দুপুর দেড়টায় ওই ইন্সটিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।জানা গেছে, ইয়াসিন ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার বিরুনিয়া ইউনিয়নের কাচিনা গ্রামের আলী হোসাইনের ছেলে।
প্রসঙ্গত, গত বুধবার রাত পৌনে ১১টার দিকে বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার বিস্ফোরণ ইয়াসিনসহ আরও ৪ ব্যক্তি দগ্ধ হন। মুমূর্ষু অবস্থায় ইয়াসিন জাকির হোসেন ও রকিবুল ইসলামকে জাতীয় বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটে পাঠানো হয়। রাত পৌনে ৩টায় তাকে ভর্তি করা হয়। আগুনে ইয়াছিনের শরীরের প্রায় ৫৪ভাগ পুড়ে যায়।
৩৪ ঘণ্টা মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে শুক্রবার দুপুর দেড়টায় তার মৃত্যু হয়। রাতে শাহবাগ থানা পুলিশ ইয়াসিনের মরদেহ উদ্ধার করে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে শাহবাগ থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মাহমুদুল হাসান জানান, জাতীয় বার্ণ এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউট থেকে ইয়াসিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। স্বজনদের আবেদনের প্রেক্ষিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে বুধবার রাত পৌনে ১১টার দিকে গাজীপুরের শ্রীপুরের মাওনা চৌরাস্তার আ. সাহিদ সুপার ভিউ নামক বহুতল ভবনের সামনে থাকা বিদ্যুতের খুঁটিতে ট্রান্সফর্মার বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ওই ভবন ও সড়কের ওপর আগুনের স্ফুলিঙ্গ ছড়িয়ে পড়ে। পথচারী ইয়াসিন, জাকির হোসেন, রকিবুল ইসলামসহ ৪ ব্যক্তি দগ্ধ হন।
ইয়াসিনের মাথা ও সমস্ত শরীরে আগুন ছিটকে পড়ে। মাথায় আগুন নিয়ে প্রাণ বাঁচাতে দৌড়াতে থাকেন ইয়াসিন। আগুনে শরীর প্রায় ৫৪ ভাগ পুড়ে যায়। মুমূর্ষু অবস্থায় ইয়াসিনসহ আরও ৩ জনকে জাতীয় বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটে ভর্তি করা হয়।
বেঙ্গল নিউজ ডেক্স 








