ঢাকা ১২:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংসদে জুলাই যোদ্ধাদের সুরক্ষা ও দায়মুক্তি দিয়ে বিল পাস

জাতীয় সংসদ বুধবার ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ বিল পাস করেছে, যার মাধ্যমে ২০২৬ সালের জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত হলো।

বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ এবং তা সর্বসম্মত কণ্ঠভোটে পাস হয়। অধ্যাদেশ অনুযায়ী, ওই অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে করা সব দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা বাতিল হবে। এছাড়াও, সংশ্লিষ্ট আইনানুগ কার্যধারা পুনরায় আর আরম্ভ করা যাবে না।

আইনের বিধান অনুসারে, পূর্বের অভিযোগসমূহ বাতিল করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে একই ধরনের মামলা বা আইনি ব্যবস্থা গ্রহণও আইনত নিষিদ্ধ থাকবে। এতে অংশগ্রহণকারীদের আইনি নিরাপত্তা ও সুরক্ষা পূর্ণভাবে নিশ্চিত হয়েছে।

একই দিনে সংসদে ‘সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশোধনী অধ্যাদেশ বিল-২০২৬’ও পাস হয়েছে। এর ফলে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার আইনি ভিত্তি স্থাপিত হয়েছে। নতুন সংশোধনী অনুযায়ী, সরকার এবার কোনো রাজনৈতিক দল, সংগঠন বা ব্যক্তিকে সন্ত্রাসে জড়িত থাকার অভিযোগে নিষিদ্ধ করার ক্ষমতা পাবেন।

এই দুই অধ্যাদেশই দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এবং আইনগত স্থিতিশীলতা নিয়ে এসেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Gojnobi biplob

Popular Post

হামের টিকা নিয়ে পূর্ববর্তী সরকারগুলো ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সংসদে জুলাই যোদ্ধাদের সুরক্ষা ও দায়মুক্তি দিয়ে বিল পাস

প্রকাশের সময় : ০৪:৪০:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় সংসদ বুধবার ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ বিল পাস করেছে, যার মাধ্যমে ২০২৬ সালের জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত হলো।

বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ এবং তা সর্বসম্মত কণ্ঠভোটে পাস হয়। অধ্যাদেশ অনুযায়ী, ওই অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে করা সব দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা বাতিল হবে। এছাড়াও, সংশ্লিষ্ট আইনানুগ কার্যধারা পুনরায় আর আরম্ভ করা যাবে না।

আইনের বিধান অনুসারে, পূর্বের অভিযোগসমূহ বাতিল করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে একই ধরনের মামলা বা আইনি ব্যবস্থা গ্রহণও আইনত নিষিদ্ধ থাকবে। এতে অংশগ্রহণকারীদের আইনি নিরাপত্তা ও সুরক্ষা পূর্ণভাবে নিশ্চিত হয়েছে।

একই দিনে সংসদে ‘সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশোধনী অধ্যাদেশ বিল-২০২৬’ও পাস হয়েছে। এর ফলে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার আইনি ভিত্তি স্থাপিত হয়েছে। নতুন সংশোধনী অনুযায়ী, সরকার এবার কোনো রাজনৈতিক দল, সংগঠন বা ব্যক্তিকে সন্ত্রাসে জড়িত থাকার অভিযোগে নিষিদ্ধ করার ক্ষমতা পাবেন।

এই দুই অধ্যাদেশই দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এবং আইনগত স্থিতিশীলতা নিয়ে এসেছে।