ঢাকা ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দাঁড়িপাল্লা টাঙানোকে কেন্দ্র করে বিএনপি–জামায়াত সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত ১১ জন

ছবি সংগৃহিত

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার শ্যামপুর গ্রামে জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীক টাঙানোকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) রাতে সংঘর্ষে যুবদল নেতাসহ দুই পক্ষের মোট ১১ জন আহত হন।

এসময় দুটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। আহতদের আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয় ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।

আহত বিএনপি নেতাকর্মীরা হলেন: আলমডাঙ্গা পৌর যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম কনক, সদস্য সাজাহান ও আলিম, কুমারী ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তাইজেল হোসেন, ১ নম্বর ওয়ার্ডের মহিলা ইউপি সদস্য রোকসানা খাতুন ও তাঁর স্বামী রাশিদুল ইসলাম

আহত জামায়াত সমর্থকরা হলেন: শ্যামপুর গ্রামের হারুন রশীদের ছেলে মুরাদ আলি, মাহাতাবের ছেলে আরিফ, পলাশের ছেলে লাল্টু, সাদেক আলির ছেলে ওল্টু ও তার মেয়ে ফাতেমা খাতুন

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে জামায়াত সমর্থকরা দাঁড়িপাল্লা প্রতীক টাঙানোর সময় বিএনপি কর্মী রাশিদুল ইসলামের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়।

এক পর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে মারামারি শুরু হলে খবর পেয়ে যুবদলের নেতাকর্মীরা মোটরসাইকেলযোগে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। সেখানে সংগঠিত জামায়াত সমর্থকদের সাথে তাদের ব্যাপক সংঘর্ষ বাধে। এতে উভয়পক্ষের ১১ জন গুরুতর আহত হন।

এ প্রসঙ্গে আলমডাঙ্গা উপজেলা জামায়াতের আমীর শফিউল আলম বকুল বলেন, আমাদের নেতাকর্মীরা দলীয় প্রতীক দাঁড়িপাল্লা টাঙাতে গেলে বিএনপির মহিলা ইউপি সদস্য ও তার স্বামী প্রতিহত করে।

এ নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি হলেও পরবর্তীতে বিএনপির নেতাকর্মীরা আমাদের এক কর্মীর বাড়িতে হামলা করে। এতে আমাদের ৫ জন কর্মী আহত হয়েছে।

আলমডাঙ্গা থানার পরিদর্শক (ওসি) মাসুদুর রহমান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। বর্তমানে পরিস্থিত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঘটনাস্থল সরেজমিন পরিদর্শন করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Gojnobi biplob

স্বামী বিদেশে থাকতেই অন্তঃসত্ত্বা, পরে গোপন গর্ভপাতের অভিযোগ চিকিৎসা প্রতিবেদনে ‘অসম্পূর্ণ গর্ভপাত’, এফিডেভিটের পর ঘটনাপ্রবাহ ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য

দাঁড়িপাল্লা টাঙানোকে কেন্দ্র করে বিএনপি–জামায়াত সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত ১১ জন

প্রকাশের সময় : ০৩:০৯:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

ছবি সংগৃহিত

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার শ্যামপুর গ্রামে জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীক টাঙানোকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) রাতে সংঘর্ষে যুবদল নেতাসহ দুই পক্ষের মোট ১১ জন আহত হন।

এসময় দুটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। আহতদের আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয় ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।

আহত বিএনপি নেতাকর্মীরা হলেন: আলমডাঙ্গা পৌর যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম কনক, সদস্য সাজাহান ও আলিম, কুমারী ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তাইজেল হোসেন, ১ নম্বর ওয়ার্ডের মহিলা ইউপি সদস্য রোকসানা খাতুন ও তাঁর স্বামী রাশিদুল ইসলাম

আহত জামায়াত সমর্থকরা হলেন: শ্যামপুর গ্রামের হারুন রশীদের ছেলে মুরাদ আলি, মাহাতাবের ছেলে আরিফ, পলাশের ছেলে লাল্টু, সাদেক আলির ছেলে ওল্টু ও তার মেয়ে ফাতেমা খাতুন

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে জামায়াত সমর্থকরা দাঁড়িপাল্লা প্রতীক টাঙানোর সময় বিএনপি কর্মী রাশিদুল ইসলামের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়।

এক পর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে মারামারি শুরু হলে খবর পেয়ে যুবদলের নেতাকর্মীরা মোটরসাইকেলযোগে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। সেখানে সংগঠিত জামায়াত সমর্থকদের সাথে তাদের ব্যাপক সংঘর্ষ বাধে। এতে উভয়পক্ষের ১১ জন গুরুতর আহত হন।

এ প্রসঙ্গে আলমডাঙ্গা উপজেলা জামায়াতের আমীর শফিউল আলম বকুল বলেন, আমাদের নেতাকর্মীরা দলীয় প্রতীক দাঁড়িপাল্লা টাঙাতে গেলে বিএনপির মহিলা ইউপি সদস্য ও তার স্বামী প্রতিহত করে।

এ নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি হলেও পরবর্তীতে বিএনপির নেতাকর্মীরা আমাদের এক কর্মীর বাড়িতে হামলা করে। এতে আমাদের ৫ জন কর্মী আহত হয়েছে।

আলমডাঙ্গা থানার পরিদর্শক (ওসি) মাসুদুর রহমান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। বর্তমানে পরিস্থিত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঘটনাস্থল সরেজমিন পরিদর্শন করা হয়েছে।