ঢাকা ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বালতিতে পড়ে ১১ মাসের শিশুর মৃত্যু নেত্রকোনায়

নেত্রকোনার সীমান্ত উপজেলা কলমাকান্দায় ভরা বালতির পানিতে পড়ে ১১ মাস বয়সী নাদিয়া নামের এক শিশু কন্যার মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার খারনৈ ইউনিয়নের মেদিরকান্দা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। শিশুটি ওই গ্রামের কৃষি শ্রমিক নবাব মিয়া ও গৃহিণী শুভা আক্তার দম্পতির একমাত্র কন্যা।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মা রান্নার কাজে ব্যস্ত ছিলেন এবং বাবা গৃহস্থালির কাজে। এ সময় শিশুটি খেলতে খেলতে বালতির ভেতরে পড়ে যায়।

এ সময় বাড়ির অন্য লোকজন দেখতে পেয়ে শিশুটিকে দ্রুত উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। কিন্তু হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক ড. সুমন পাল শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি বলেন, শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে আসার সময় আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছি, দেখা গেছে আগেই মারা গেছে। অভিভাবকদের আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। সচেতন না হলে এ ধরনের শিশু মৃত্যুর ঘটনা রোধ করা সম্ভব হবে না।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Gojnobi biplob

Popular Post

হামের টিকা নিয়ে পূর্ববর্তী সরকারগুলো ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বালতিতে পড়ে ১১ মাসের শিশুর মৃত্যু নেত্রকোনায়

প্রকাশের সময় : ০৩:৫৭:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫

নেত্রকোনার সীমান্ত উপজেলা কলমাকান্দায় ভরা বালতির পানিতে পড়ে ১১ মাস বয়সী নাদিয়া নামের এক শিশু কন্যার মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার খারনৈ ইউনিয়নের মেদিরকান্দা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। শিশুটি ওই গ্রামের কৃষি শ্রমিক নবাব মিয়া ও গৃহিণী শুভা আক্তার দম্পতির একমাত্র কন্যা।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মা রান্নার কাজে ব্যস্ত ছিলেন এবং বাবা গৃহস্থালির কাজে। এ সময় শিশুটি খেলতে খেলতে বালতির ভেতরে পড়ে যায়।

এ সময় বাড়ির অন্য লোকজন দেখতে পেয়ে শিশুটিকে দ্রুত উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। কিন্তু হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক ড. সুমন পাল শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি বলেন, শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে আসার সময় আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছি, দেখা গেছে আগেই মারা গেছে। অভিভাবকদের আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। সচেতন না হলে এ ধরনের শিশু মৃত্যুর ঘটনা রোধ করা সম্ভব হবে না।