ঢাকা ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিরাজগঞ্জে শালিস বৈঠকে জামাইয়ের মারধরে প্রাণ গেল শ্বশুরের

সিরাজগঞ্জে পারিবারিক বিরোধ মীমাংসার জন্য ডাকা শালিস বৈঠকে জামাইয়ের মারধরে হারান আলী সেখ (৫৫) নামের এক ভ্যানচালকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তার স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে ও নাতিসহ চারজন আহত হয়েছেন।

বুধবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার খোকসাবাড়ি ইউনিয়নের ব্রাহ্মণগাতি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।নিহত হারান আলী সদর উপজেলার বহুলী ইউনিয়নের নিয়ামতপুর গ্রামের আবেদ আলীর ছেলে।

নিহতের ছেলে ইকবাল হোসেন জানান, তার বোন শাপলা খাতুন ও বোন জামাই আবুল কালামের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে বুধবার বিকেলে আবুল কালামের বাড়িতে শালিস বৈঠক বসে। বৈঠকের একপর্যায়ে আবুল কালাম ও তার পরিবারের কয়েকজন ব্যক্তি শালিসে উপস্থিতদের ওপর হামলা করেন।

ইকবাল বলেন, দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তারা বাবাসহ আমাদের ওপর হামলা চালায়। বাবা, মা, বোন, আমার ছেলে এবং আমাকেও মারধর করা হয়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় সবাইকে সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা বাবাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সদর থানার উপপরিদর্শক সোহাগ হোসাইন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Gojnobi biplob

Popular Post

হামের টিকা নিয়ে পূর্ববর্তী সরকারগুলো ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সিরাজগঞ্জে শালিস বৈঠকে জামাইয়ের মারধরে প্রাণ গেল শ্বশুরের

প্রকাশের সময় : ০২:৫৭:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

সিরাজগঞ্জে পারিবারিক বিরোধ মীমাংসার জন্য ডাকা শালিস বৈঠকে জামাইয়ের মারধরে হারান আলী সেখ (৫৫) নামের এক ভ্যানচালকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তার স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে ও নাতিসহ চারজন আহত হয়েছেন।

বুধবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার খোকসাবাড়ি ইউনিয়নের ব্রাহ্মণগাতি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।নিহত হারান আলী সদর উপজেলার বহুলী ইউনিয়নের নিয়ামতপুর গ্রামের আবেদ আলীর ছেলে।

নিহতের ছেলে ইকবাল হোসেন জানান, তার বোন শাপলা খাতুন ও বোন জামাই আবুল কালামের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে বুধবার বিকেলে আবুল কালামের বাড়িতে শালিস বৈঠক বসে। বৈঠকের একপর্যায়ে আবুল কালাম ও তার পরিবারের কয়েকজন ব্যক্তি শালিসে উপস্থিতদের ওপর হামলা করেন।

ইকবাল বলেন, দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তারা বাবাসহ আমাদের ওপর হামলা চালায়। বাবা, মা, বোন, আমার ছেলে এবং আমাকেও মারধর করা হয়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় সবাইকে সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা বাবাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সদর থানার উপপরিদর্শক সোহাগ হোসাইন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।