ময়মনসিংহের ভালুকায় নিহত পোশাক শ্রমিক দিপু হত্যাকাণ্ডে এরশাদ (২৭) নামে আরেক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেলে তাকে ভালুকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরশাদ দিপুকে মারধরের ঘটনায় অংশ নিয়েছিলেন। এরপর দিপুর মোবাইলটিও তিনি নিয়ে গিয়েছিলেন।তথ্য প্রযুক্তির সূত্র ধরে দিপুর মোবাইল ফোন উদ্বার ও এরশাদকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার রবি চন্দ্র দাসের ছেলে দিপু চন্দ্র দাস। তিনি ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের জামিরদিয়া ডুবালিয়াপাড়া এলাকার অবস্থিত পাইওনিয়ার নিটওয়্যারস (বিডি) লিমিটেড নামের একটি পোশাক কারখানায় লিংকিং সেকশনে কাজ করে আসছিলেন।
গত বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) ঘটনার রাত পৌনে নয়টার দিকে সহকর্মীর সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কুটূক্তি করেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে বিক্ষুদ্ধ লোকজন দিপু চন্দ্রকে কারখানা থেকে বের করে নিয়ে পিটিয়ে মেরে ফেলে। এরপর মহাড়কের ডিভাইডারের একটি গাছে মরদেহ ঝুলিয়ে আগুন দিয়ে দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় পরদিন শুক্রবার বিকেলে নিহতের ভাই অপু দাস দেড়শত জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি 








