ঢাকা ০৩:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফ্রিল্যান্সিং প্রকল্পে ১৮ হাজার যুবককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে : ড. আসিফ নজরুল

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ প্রকল্পে ১৮ হাজার যুবককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।আজ রবিবার সচিবালয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে দেশের ৪৮ জেলায় শিক্ষিত ও কর্ম প্রত্যাশী যুবকদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি শীর্ষক প্রকল্পের তিন মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

ড. আসিফ নজরুল বলেন, ‘দেশের শিক্ষিত যুবকদের মাঝে ফ্রিল্যান্সিংয়ের প্রচুর উপযোগিতা রয়েছে এবং এটাকে আমাদের আরো বিস্তৃত করতে হবে। ফ্রিল্যান্সিংয়ের সুবিধাটা হচ্ছে, এখানে আপনাকে চাকরির পেছনে ঘুরতে হয় না।বিজনেস করতে হলে বা অর্থসংস্কার করতে হলে, আপনার সে রকম কোনো ইনভেস্টমেন্ট লাগে না।’

তিনি আরো বলেন, ‘আপনি বাসায় বসে সব কিছু করতে পারছেন। আপনাকে বড় একটা দোকান দিতে হচ্ছে না। ফ্রিল্যান্সিংয়ে আপনাকে চাকরি করার জন্য দেশে বিদেশে দালালের পেছনে ঘুরতে হচ্ছে না এবং আপনারা জানেন যে আজকে এই তথ্য প্রযুক্তির মহা উন্নয়নের যুগে আপনি কোথায় বসে কাজ করছেন? কটার সময় বসে কাজ করছেন এটা ম্যাটার করে না।

আমাদের এই ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ প্রকল্প, এই ধরনের প্রকল্প আরো অনেক বিস্তৃত করার সুযোগ রয়েছে, এর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।’
ড. আসিফ নজরুল আরো বলেন, ‘আমি আশান্বিত যে এই প্রকল্পে শেষ পর্যন্ত ১৮ হাজার যুবককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এটা এনাফ না, এটা তো আসলে অনবরত হওয়া উচিত। এটা ১৮ হাজার না, ১৮ লাখ হওয়া উচিত।’তিনি বলেন, ‘আমি যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে যারা আছেন, ক্রীড়া ও যুব মন্ত্রণালয়ে যারা আছেন, যারা এই প্রকল্প গ্রহণ করেছেন তাদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই শুভেচ্ছা জানাই।

তিনি বলেন, ‘আমি আজকে কালকের মধ্যে বসব। এই প্রশিক্ষণ প্রকল্পটা যে আপনার ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণটা  মেইনস্ট্রিমিং করা যায় কি-না এবং আমরা মন্ত্রণালয় মাধ্যমে প্রকল্পটি শেষ হওয়ার পরও মন্ত্রণালয়ের জনবল ও রিসোর্স দিয়ে এটাকে কন্টিনিউ করতে পারি কি-না, সেটার সুযোগ ক্ষতিয়ে দেখব। কারণ আমার কাছে সত্যি সত্যি মনে হয় যে আমাদের ভবিষ্যতের একটা বড় অংশ ফ্রিল্যান্সিং এর মধ্যে নিহিত।’

উপদেষ্টা আরো বলেন, ‘ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে আমাদের বেকারত্বের সমস্যা দূর করা সম্ভব। আমাদের পার ক্যাপিটা ইনকাম বাড়ানো আমাদের দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখার বিরাট সুযোগ রয়েছে, আর এই সুযোগের অল্পই আমরা গ্রহণ করতে পেরেছি।’

তিনি বলেন, ‘এই সুযোগকে পরিপূর্ণভাবে গ্রহণ করার জন্য আমার স্বল্প সময় আমি এই মন্ত্রণালয়ে আছি এবং এখানে কি কি সুযোগ রয়েছে, আমরা সেটা করব। ভবিষ্যতে যারা এই মন্ত্রণালয় দায়িত্বে নেবেন, তাদের জন্য কি কি করণীয় আছে, সে ব্যাপারে আমরা অন্তত একটা ছোট্ট একটা রিসার্চের মতো বা ছোট্ট একটা প্রস্তাবনার মতো করে যাওয়ার চেষ্টা করব।’

প্রশিক্ষণ শেষ করার পর  একটা ওয়ানডে ওয়ার্কিং সেশন করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে উপদেষ্টা বলেন,  ‘যেখানে এই প্রকল্পে প্রশিক্ষণ নেওয়া যুবকরা কিভাবে একজন সফল উদ্যোক্তা বা ফ্রিল্যান্সার হিসাবে ব্যাপকভাবে উপার্জন করছেন, তার প্রতিটি স্তর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে উনারা প্রশিক্ষণ পাওয়া ব্যক্তিদেরকে কাছে বর্ণনা করবেন। তাহলে এটা ওনাদের জন্য আরো বেশি উৎসাহব্যঞ্জক হবে, আরো বেশি তাৎপর্যপূর্ণ হবে।’

৩ মাস মেয়াদি (০১ জানুয়ারি ২০২৬ – ৩১ মার্চ ২০২৬) ৫ম ব্যাচের প্রশিক্ষণ কোর্সে ৪৮টি জেলায় প্রতি জেলায় ৩ ব্যাচে ৭৫ জন করে মোট ৩৬০০ জন প্রশিক্ষণার্থীর প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে।

এ কোর্সের আজ উদ্বোধনী প্রোগ্রাম। ১৮ হতে ৩৫ বছর বয়সী কমপক্ষে এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কর্মপ্রত্যাশী যুব ও যুব নারীরা এ প্রশিক্ষণের সুযোগ পেয়েছে।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সচিব মাহবুবুল আলম, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর মহাপরিচালক ড. গাজী মো. সাইফুজ্জামানসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, জানুয়ারি ২০২৪ হতে ডিসেম্বর ২০২৬ মেয়াদে সম্পূর্ণ জিওবি অর্থায়নে ২৯৯ কোটি ৯৯ লক্ষ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ২৮৮০০ জন প্রশিক্ষণার্থীর লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ১ জানুয়ারি ২০২৫ হতে দেশের ৪৮টি জেলায় একযোগে এ ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়।

ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত ৪৮টি জেলায় ৪টি কোয়ার্টারে প্রতি কোয়ার্টারে ৩ মাস ব্যাপী প্রশিক্ষণ কোর্সের আওতায় মোট ১০,৮০০ জন যুব ও যুব নারী প্রশিক্ষণার্থী সফলভাবে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছে।

প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারী যুবদের মধ্যে ৬২% এর অধিক বা ৬৭৩২ জন প্রশিক্ষণার্থী দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে কাজ করে আয় করতে সক্ষম হয়েছে।

এ সকল প্রশিক্ষণার্থী এ পর্যন্ত প্রায় প্রায় ১১ লক্ষ ৩৯ হাজার ৯ শত ৯৬ ডলার, যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ১৪ কোটি ২ লক্ষ ১৯ হাজার ৬ শত ২৯ টাকার সমপরিমাণ আয় করতে সক্ষম হয়েছে। এ আয় উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এছাড়াও ৩ মাসব্যাপী ৬০০ ঘন্টার এ প্রশিক্ষণ কোর্স নিয়মিত তদারকি করেন সংশ্লিষ্ট জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালকগণ, প্রতিটি জেলায় প্রতি ব্যাচে ২৫ জন করে ৩টি ব্যাচে মোট ৭৫ জন হিসেবে ৪৮ জেলায় মোট ৩৬০০ জন প্রশিক্ষণার্থী প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Gojnobi biplob

Popular Post

হামের টিকা নিয়ে পূর্ববর্তী সরকারগুলো ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ফ্রিল্যান্সিং প্রকল্পে ১৮ হাজার যুবককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে : ড. আসিফ নজরুল

প্রকাশের সময় : ০১:৩১:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ প্রকল্পে ১৮ হাজার যুবককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।আজ রবিবার সচিবালয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে দেশের ৪৮ জেলায় শিক্ষিত ও কর্ম প্রত্যাশী যুবকদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি শীর্ষক প্রকল্পের তিন মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

ড. আসিফ নজরুল বলেন, ‘দেশের শিক্ষিত যুবকদের মাঝে ফ্রিল্যান্সিংয়ের প্রচুর উপযোগিতা রয়েছে এবং এটাকে আমাদের আরো বিস্তৃত করতে হবে। ফ্রিল্যান্সিংয়ের সুবিধাটা হচ্ছে, এখানে আপনাকে চাকরির পেছনে ঘুরতে হয় না।বিজনেস করতে হলে বা অর্থসংস্কার করতে হলে, আপনার সে রকম কোনো ইনভেস্টমেন্ট লাগে না।’

তিনি আরো বলেন, ‘আপনি বাসায় বসে সব কিছু করতে পারছেন। আপনাকে বড় একটা দোকান দিতে হচ্ছে না। ফ্রিল্যান্সিংয়ে আপনাকে চাকরি করার জন্য দেশে বিদেশে দালালের পেছনে ঘুরতে হচ্ছে না এবং আপনারা জানেন যে আজকে এই তথ্য প্রযুক্তির মহা উন্নয়নের যুগে আপনি কোথায় বসে কাজ করছেন? কটার সময় বসে কাজ করছেন এটা ম্যাটার করে না।

আমাদের এই ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ প্রকল্প, এই ধরনের প্রকল্প আরো অনেক বিস্তৃত করার সুযোগ রয়েছে, এর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।’
ড. আসিফ নজরুল আরো বলেন, ‘আমি আশান্বিত যে এই প্রকল্পে শেষ পর্যন্ত ১৮ হাজার যুবককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এটা এনাফ না, এটা তো আসলে অনবরত হওয়া উচিত। এটা ১৮ হাজার না, ১৮ লাখ হওয়া উচিত।’তিনি বলেন, ‘আমি যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে যারা আছেন, ক্রীড়া ও যুব মন্ত্রণালয়ে যারা আছেন, যারা এই প্রকল্প গ্রহণ করেছেন তাদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই শুভেচ্ছা জানাই।

তিনি বলেন, ‘আমি আজকে কালকের মধ্যে বসব। এই প্রশিক্ষণ প্রকল্পটা যে আপনার ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণটা  মেইনস্ট্রিমিং করা যায় কি-না এবং আমরা মন্ত্রণালয় মাধ্যমে প্রকল্পটি শেষ হওয়ার পরও মন্ত্রণালয়ের জনবল ও রিসোর্স দিয়ে এটাকে কন্টিনিউ করতে পারি কি-না, সেটার সুযোগ ক্ষতিয়ে দেখব। কারণ আমার কাছে সত্যি সত্যি মনে হয় যে আমাদের ভবিষ্যতের একটা বড় অংশ ফ্রিল্যান্সিং এর মধ্যে নিহিত।’

উপদেষ্টা আরো বলেন, ‘ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে আমাদের বেকারত্বের সমস্যা দূর করা সম্ভব। আমাদের পার ক্যাপিটা ইনকাম বাড়ানো আমাদের দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখার বিরাট সুযোগ রয়েছে, আর এই সুযোগের অল্পই আমরা গ্রহণ করতে পেরেছি।’

তিনি বলেন, ‘এই সুযোগকে পরিপূর্ণভাবে গ্রহণ করার জন্য আমার স্বল্প সময় আমি এই মন্ত্রণালয়ে আছি এবং এখানে কি কি সুযোগ রয়েছে, আমরা সেটা করব। ভবিষ্যতে যারা এই মন্ত্রণালয় দায়িত্বে নেবেন, তাদের জন্য কি কি করণীয় আছে, সে ব্যাপারে আমরা অন্তত একটা ছোট্ট একটা রিসার্চের মতো বা ছোট্ট একটা প্রস্তাবনার মতো করে যাওয়ার চেষ্টা করব।’

প্রশিক্ষণ শেষ করার পর  একটা ওয়ানডে ওয়ার্কিং সেশন করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে উপদেষ্টা বলেন,  ‘যেখানে এই প্রকল্পে প্রশিক্ষণ নেওয়া যুবকরা কিভাবে একজন সফল উদ্যোক্তা বা ফ্রিল্যান্সার হিসাবে ব্যাপকভাবে উপার্জন করছেন, তার প্রতিটি স্তর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে উনারা প্রশিক্ষণ পাওয়া ব্যক্তিদেরকে কাছে বর্ণনা করবেন। তাহলে এটা ওনাদের জন্য আরো বেশি উৎসাহব্যঞ্জক হবে, আরো বেশি তাৎপর্যপূর্ণ হবে।’

৩ মাস মেয়াদি (০১ জানুয়ারি ২০২৬ – ৩১ মার্চ ২০২৬) ৫ম ব্যাচের প্রশিক্ষণ কোর্সে ৪৮টি জেলায় প্রতি জেলায় ৩ ব্যাচে ৭৫ জন করে মোট ৩৬০০ জন প্রশিক্ষণার্থীর প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে।

এ কোর্সের আজ উদ্বোধনী প্রোগ্রাম। ১৮ হতে ৩৫ বছর বয়সী কমপক্ষে এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কর্মপ্রত্যাশী যুব ও যুব নারীরা এ প্রশিক্ষণের সুযোগ পেয়েছে।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সচিব মাহবুবুল আলম, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর মহাপরিচালক ড. গাজী মো. সাইফুজ্জামানসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, জানুয়ারি ২০২৪ হতে ডিসেম্বর ২০২৬ মেয়াদে সম্পূর্ণ জিওবি অর্থায়নে ২৯৯ কোটি ৯৯ লক্ষ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ২৮৮০০ জন প্রশিক্ষণার্থীর লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ১ জানুয়ারি ২০২৫ হতে দেশের ৪৮টি জেলায় একযোগে এ ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়।

ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত ৪৮টি জেলায় ৪টি কোয়ার্টারে প্রতি কোয়ার্টারে ৩ মাস ব্যাপী প্রশিক্ষণ কোর্সের আওতায় মোট ১০,৮০০ জন যুব ও যুব নারী প্রশিক্ষণার্থী সফলভাবে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছে।

প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারী যুবদের মধ্যে ৬২% এর অধিক বা ৬৭৩২ জন প্রশিক্ষণার্থী দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে কাজ করে আয় করতে সক্ষম হয়েছে।

এ সকল প্রশিক্ষণার্থী এ পর্যন্ত প্রায় প্রায় ১১ লক্ষ ৩৯ হাজার ৯ শত ৯৬ ডলার, যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ১৪ কোটি ২ লক্ষ ১৯ হাজার ৬ শত ২৯ টাকার সমপরিমাণ আয় করতে সক্ষম হয়েছে। এ আয় উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এছাড়াও ৩ মাসব্যাপী ৬০০ ঘন্টার এ প্রশিক্ষণ কোর্স নিয়মিত তদারকি করেন সংশ্লিষ্ট জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালকগণ, প্রতিটি জেলায় প্রতি ব্যাচে ২৫ জন করে ৩টি ব্যাচে মোট ৭৫ জন হিসেবে ৪৮ জেলায় মোট ৩৬০০ জন প্রশিক্ষণার্থী প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছে।