ঢাকা ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশের ফ্রিল্যান্সারদের ডিজিটাল আইডি কার্ড পাচ্ছেন ফ্রিল্যান্সাররা

দেশের ফ্রিল্যান্সারদের জন্য প্রথমবারের মতো চালু হতে যাচ্ছে জাতীয় নিবন্ধন ও ডিজিটাল আইডি কার্ড ব্যবস্থা। সোমবার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহম্মদ জসীম উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে জাতীয় ফ্রিল্যান্সার নিবন্ধন ও আইডি কার্ড কার্যক্রমের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। এর মাধ্যমে নিবন্ধিত ফ্রিল্যান্সাররা বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সুবিধা সহজে গ্রহণ করতে পারবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের ফ্রিল্যান্সিং খাতকে আরও সংগঠিত ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় আনতে গুরুত্বপূর্ণ এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ। freelancers.gov.bd ঠিকানার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মটির ভলনারেবিলিটি অ্যাসেসমেন্ট অ্যান্ড পেনিট্রেশন টেস্টিং (VAPT) সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এর ফলে প্ল্যাটফর্মটির নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা নিশ্চিত হওয়ায় এটি উদ্বোধনের জন্য প্রস্তুত।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের উদ্যোগে বাস্তবায়িত এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সাররা প্রথমবারের মতো সরকারি স্বীকৃত একটি ডিজিটাল পরিচয়পত্র বা ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ড পাবেন।এই আইডি কার্ড ব্যবহার করে ফ্রিল্যান্সাররা ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ, ঋণ ও ক্রেডিট কার্ড সুবিধা, আর্থিক প্রণোদনা এবং সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি দেশি ও আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারদের পেশাগত বিশ্বাসযোগ্যতা আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

এছাড়া freelancers.gov.bd একটি জাতীয় ফ্রিল্যান্সার ডাটাবেইজ হিসেবেও কাজ করবে। এখানে ফ্রিল্যান্সারদের সংখ্যা, দক্ষতা, কাজের ক্ষেত্র এবং বাজার প্রবণতা সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ ও নিয়মিত হালনাগাদ করা হবে। এসব তথ্য ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারণ ও পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা দেবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা।

এই উদ্যোগের ফলে ব্যাংক, সরকারি সংস্থা ও বেসরকারি খাতের সঙ্গে ফ্রিল্যান্সারদের সংযোগ আরও জোরদার হবে, যা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে। তরুণদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং প্রযুক্তিভিত্তিক কর্মসংস্থান বাড়াতে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই কার্যক্রমের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরকে আরও নিরাপদ, স্বচ্ছ ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার পথে বাংলাদেশ আরেক ধাপ এগিয়ে গেল।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Gojnobi biplob

Popular Post

হামের টিকা নিয়ে পূর্ববর্তী সরকারগুলো ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

দেশের ফ্রিল্যান্সারদের ডিজিটাল আইডি কার্ড পাচ্ছেন ফ্রিল্যান্সাররা

প্রকাশের সময় : ০৪:০৫:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

দেশের ফ্রিল্যান্সারদের জন্য প্রথমবারের মতো চালু হতে যাচ্ছে জাতীয় নিবন্ধন ও ডিজিটাল আইডি কার্ড ব্যবস্থা। সোমবার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহম্মদ জসীম উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে জাতীয় ফ্রিল্যান্সার নিবন্ধন ও আইডি কার্ড কার্যক্রমের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। এর মাধ্যমে নিবন্ধিত ফ্রিল্যান্সাররা বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সুবিধা সহজে গ্রহণ করতে পারবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের ফ্রিল্যান্সিং খাতকে আরও সংগঠিত ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় আনতে গুরুত্বপূর্ণ এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ। freelancers.gov.bd ঠিকানার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মটির ভলনারেবিলিটি অ্যাসেসমেন্ট অ্যান্ড পেনিট্রেশন টেস্টিং (VAPT) সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এর ফলে প্ল্যাটফর্মটির নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা নিশ্চিত হওয়ায় এটি উদ্বোধনের জন্য প্রস্তুত।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের উদ্যোগে বাস্তবায়িত এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সাররা প্রথমবারের মতো সরকারি স্বীকৃত একটি ডিজিটাল পরিচয়পত্র বা ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ড পাবেন।এই আইডি কার্ড ব্যবহার করে ফ্রিল্যান্সাররা ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ, ঋণ ও ক্রেডিট কার্ড সুবিধা, আর্থিক প্রণোদনা এবং সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি দেশি ও আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারদের পেশাগত বিশ্বাসযোগ্যতা আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

এছাড়া freelancers.gov.bd একটি জাতীয় ফ্রিল্যান্সার ডাটাবেইজ হিসেবেও কাজ করবে। এখানে ফ্রিল্যান্সারদের সংখ্যা, দক্ষতা, কাজের ক্ষেত্র এবং বাজার প্রবণতা সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ ও নিয়মিত হালনাগাদ করা হবে। এসব তথ্য ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারণ ও পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা দেবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা।

এই উদ্যোগের ফলে ব্যাংক, সরকারি সংস্থা ও বেসরকারি খাতের সঙ্গে ফ্রিল্যান্সারদের সংযোগ আরও জোরদার হবে, যা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে। তরুণদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং প্রযুক্তিভিত্তিক কর্মসংস্থান বাড়াতে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই কার্যক্রমের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরকে আরও নিরাপদ, স্বচ্ছ ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার পথে বাংলাদেশ আরেক ধাপ এগিয়ে গেল।