ঢাকা ০১:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেরোবি কেন্দ্রে রাবির ভর্তি পরীক্ষায় মোবাইল ফোন ও পকেট রাউটারসহ পরীক্ষার্থী আটক

  • রংপুর প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : ০১:৫৩:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২১৮ বার পড়া হয়েছে

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা দিতে আসা এক পরীক্ষার্থীকে মোবাইল ফোন ও পকেট রাউটারসহ প্রধান ফটকে আটক করা হয়।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে জি এম সারোয়ার আহমেদ নামে ওই পরীক্ষার্থী কেন্দ্রে প্রবেশ করার সময় তাকে আটক করে প্রক্টোরিয়াল টিম। পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

​এ বিষয়ে বেরোবির প্রক্টর ড. ফেরদৌস রহমান বলেন, “ওই পরীক্ষার্থীকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে তার সাথে কোনো চক্রের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি, তবে অসদুপায় অবলম্বনের চেষ্টার কারণে তাকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখা হয়েছে। পরীক্ষা শেষে আমাদের লিগাল সেল ও মোবাইল কোর্টসহ সংশ্লিষ্টরা বসে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।”

আর যদি হল বা কেন্দ্রের বাইরে কোনো অপরাধ ঘটে, তবে সেটি প্রচলিত আইনের আওতায় পড়বে। এখানে দুইভাবে বিষয়টি সমাধান করা যায়—প্রথমত, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ব্যবস্থা নিতে পারে; দ্বিতীয়ত, পুলিশের মাধ্যমে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।”
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Gojnobi biplob

Popular Post

নেত্রকোণার মদনে পরীক্ষা কেন্দ্রে অবাধে নকলের অভিযোগ:

বেরোবি কেন্দ্রে রাবির ভর্তি পরীক্ষায় মোবাইল ফোন ও পকেট রাউটারসহ পরীক্ষার্থী আটক

প্রকাশের সময় : ০১:৫৩:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা দিতে আসা এক পরীক্ষার্থীকে মোবাইল ফোন ও পকেট রাউটারসহ প্রধান ফটকে আটক করা হয়।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে জি এম সারোয়ার আহমেদ নামে ওই পরীক্ষার্থী কেন্দ্রে প্রবেশ করার সময় তাকে আটক করে প্রক্টোরিয়াল টিম। পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

​এ বিষয়ে বেরোবির প্রক্টর ড. ফেরদৌস রহমান বলেন, “ওই পরীক্ষার্থীকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে তার সাথে কোনো চক্রের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি, তবে অসদুপায় অবলম্বনের চেষ্টার কারণে তাকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখা হয়েছে। পরীক্ষা শেষে আমাদের লিগাল সেল ও মোবাইল কোর্টসহ সংশ্লিষ্টরা বসে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।”

আর যদি হল বা কেন্দ্রের বাইরে কোনো অপরাধ ঘটে, তবে সেটি প্রচলিত আইনের আওতায় পড়বে। এখানে দুইভাবে বিষয়টি সমাধান করা যায়—প্রথমত, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ব্যবস্থা নিতে পারে; দ্বিতীয়ত, পুলিশের মাধ্যমে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।”