
দ্বৈত নাগরিকত্ব সংক্রান্ত জটিলতায় কুমিল্লা-১০ আসন (লালমাই-নাঙ্গলকোট) থেকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মো. আবদুল গফুর ভূঁইয়ার প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে করা তার রিট আবেদন খারিজ হওয়ায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পথ বন্ধ হয়ে গেছে।বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আইনজীবীরা জানান, রিট খারিজ হওয়ায় নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকছে এবং আবদুল গফুর ভূঁইয়া আর প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না। এর আগে একই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা আরেকটি রিটও সরাসরি খারিজ করেন হাইকোর্ট। ওই রিটটি দায়ের করেছিলেন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী।
উল্লেখ্য, প্রাথমিক বাছাইয়ে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। তবে ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন একই আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী এবং দলটির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। আপিলে তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপির ওই প্রার্থী ঋণখেলাপি হওয়ার তথ্য গোপন রেখে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। বিষয়টি নিয়ে গত ১৭ জানুয়ারি রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
শুনানি শেষে আপিল মঞ্জুর করে নির্বাচন কমিশন এবং এর ফলে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়। ইসির এ সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে তিনি গত সোমবার হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছিলেন। হাইকোর্টের সর্বশেষ আদেশের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তই চূড়ান্তভাবে বহাল থাকল।
বেঙ্গল নিউজ ডেক্স 








