
ছবি সংগৃহিত
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে চেকপোস্টে তল্লাশিকালে কনস্টেবল ইজাউল হক ভূঁইয়াকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। শুক্রবার রাতে হালুয়াঘাট থানায় মামলাটি দায়ের করেন এএসআই মো. নওয়াব আলী। মামলার আগেই শুক্রবার দুপুরে প্রধান অভিযুক্ত শাহরিয়ার আহমেদ লিয়নকে (২৮) আটক করে পুলিশ।
মামলার বিষয়টি সমকালকে নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম ও অপারেশন) মো. আশরাফুল করিম। মামলায় লিয়নের নাম উল্লেখসহ আরেকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২৩ জানুয়ারি রাতে হালুয়াঘাট পৌর এলাকায় পাগলপাড়া ব্রিজ সংলগ্ন অস্থায়ী চেকপোস্টে একটি মোটরসাইকেলকে থামার সংকেত দেয় পুলিশ। মোটরসাইকেল চালক শাহরিয়ার আহমেদ লিয়ন থামতে অস্বীকৃতি জানিয়ে পুলিশের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন এবং নিজেকে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের ছেলে পরিচয় দিয়ে হুমকি দেন।
পরে আনুমানিক রাত সাড়ে ৩টার দিকে লিয়ন তার বাসার সামনে রাস্তায় দায়িত্বরত পুলিশের ওপর হামলা করেন। এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, লিয়ন বাসা থেকে দা নিয়ে এসে কনস্টেবল মো. ইজাউল হক ভূঁইয়াকে হত্যার উদ্দেশ্যে পিঠে কোপ দেন।
গুরুতর আহত কনস্টেবল ইজাউল হককে উদ্ধার করে প্রথমে হালুয়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার পিঠে গভীর জখম রয়েছে।
গ্রেপ্তার লিয়ন হালুয়াঘাট উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. রুহুল আমিনের ছেলে এবং বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্সের কর্মী হিসেবে এলাকায় পরিচিত।
এ বিষয়ে সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়ে বলেন, মাদক ও বেকারত্বের কারণে যুব সমাজের অবক্ষয় দেখা দিয়েছে। তবে অপরাধী যেই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আশরাফুল করিম আরও জানান, ঘটনাস্থল থেকে লিয়নের মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়েছে এবং অন্য আসামিকে শনাক্তে তদন্ত চলছে।
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি 








