ঢাকা ০৮:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজধানীতে মেয়েকে ‘শেষ বার্তা’ পাঠিয়ে পুলিশ সদস্যের আত্মহত্যা

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী পুলিশ ফাঁড়িতে শফিকুল ইসলাম (৪২) নামে এক পুলিশ সদস্য আত্মহত্যা করেছেন। বুধবার ভোরের দিকে ঘটনাটি ঘটে।

শফিকুল ইসলামের গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলার মতলব থানার মৌটুপী গ্রামে। তিনি ওই এলাকার মান্নান মল্লিকের ছেলে। তিনি যাত্রাবাড়ী ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন। ২০০৩ সালে পুলিশ সার্ভিসে যোগ দেন শফিকুল ইসলাম।

যাত্রাবাড়ী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাসেল জানান, ফাঁড়ির ওয়াশরুমে তার ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া গেছে। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

তিনি আর বলেন, তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ ঘুমাতে পারেননি। ভোর রাত ৩টা ২৫ মিনিটে বড় মেয়েকে মোবাইলে ম্যাসেজ করে শফিকুল লেখেন, ‘আমি তোমার জন্য কিছুই করতে পারলাম না। আমাকে ক্ষমা করে দিও। জুনায়েদ ও জিহাদকে দেখে রেখো।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Gojnobi biplob

স্বামী বিদেশে থাকতেই অন্তঃসত্ত্বা, পরে গোপন গর্ভপাতের অভিযোগ চিকিৎসা প্রতিবেদনে ‘অসম্পূর্ণ গর্ভপাত’, এফিডেভিটের পর ঘটনাপ্রবাহ ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য

রাজধানীতে মেয়েকে ‘শেষ বার্তা’ পাঠিয়ে পুলিশ সদস্যের আত্মহত্যা

প্রকাশের সময় : ০৪:১২:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী পুলিশ ফাঁড়িতে শফিকুল ইসলাম (৪২) নামে এক পুলিশ সদস্য আত্মহত্যা করেছেন। বুধবার ভোরের দিকে ঘটনাটি ঘটে।

শফিকুল ইসলামের গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলার মতলব থানার মৌটুপী গ্রামে। তিনি ওই এলাকার মান্নান মল্লিকের ছেলে। তিনি যাত্রাবাড়ী ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন। ২০০৩ সালে পুলিশ সার্ভিসে যোগ দেন শফিকুল ইসলাম।

যাত্রাবাড়ী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাসেল জানান, ফাঁড়ির ওয়াশরুমে তার ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া গেছে। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

তিনি আর বলেন, তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ ঘুমাতে পারেননি। ভোর রাত ৩টা ২৫ মিনিটে বড় মেয়েকে মোবাইলে ম্যাসেজ করে শফিকুল লেখেন, ‘আমি তোমার জন্য কিছুই করতে পারলাম না। আমাকে ক্ষমা করে দিও। জুনায়েদ ও জিহাদকে দেখে রেখো।’