
মুন্সীগঞ্জে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় ফারহান ফয়সাল (৩১) নামের যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় চালক ও তার সহযোগীকে আটক করে গণপিটুনি দিয়েছে স্থানীয় জনতা। পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করতে গেলে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী যৌথ বাহিনীর ওপর হামলা চালায়।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মিরকাদিম পৌরসভার গোয়ালঘুর্নি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ফয়সাল ওই এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে। তিনি যমুনা ব্যাংকের আলদি শাখার কর্মী এবং দুই কন্যাসন্তানের জনক। এ ঘটনায় পিকআপচালক লিটন (২৮) ও তার সহযোগী মাইনুদ্দিনকে (২৬) আটক করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়দের তথ্যসূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেলে গোয়ালঘুর্নি মসজিদের সামনে দ্রুতগতির একটি পিকআপ ভ্যান ফয়সালকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পর স্থানীয়রা ধাওয়া করে পিকআপসহ চালক ও সহযোগীকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। খবর পেয়ে সন্ধ্যা ৭টার দিকে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে আটক ব্যক্তিদের উদ্ধার করার চেষ্টা করলে পরিস্থিতির অবনতি হয়।
এ সময় উত্তেজিত জনতা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গাড়ি লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সিপাহিপাড়া চৌরাস্তায় অবস্থান নিয়ে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে রাত ৯টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ওই সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। পরে ফয়সালের মরদেহ বাড়িতে পৌঁছালে বিক্ষুব্ধরা সড়ক অবরোধ তুলে নেয় ও যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম জানান, চালক ও সহযোগী বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি 








