
ছবি কেন্দুয়া সমাজসেবা অফিস
অনিয়ম আর দুর্নীতি অভিযোগ উঠেছে কেন্দুয়া সমাজসেবা অফিসের কর্মকর্তা ইউনুস ও তার কর্মচারিদের বিরুদ্বে। কেন্দুয়া সমাজসেবা অফিস সমাজসেবার সুবিধা ভোগীদের জন্য নিজেরা আবেদন করে টাকা হাতিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে।
২০২৪- ২০২৫ অর্থ বছরে উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন আর একটি পৌরসভায় বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা ও পঙ্গু ভাতার জন্য আবেদন প্রায় ১০ হাজারেরও বেশী। তার মধ্যে সরকারি ভাবে বয়স্ক ভাতা ২ হাজার ৫শত ৯৫ জন, বিধবা ভাতা ২ হাজার ২ শত ৪১ জন ও প্রতিবন্ধি ভাতা ৩ শত ৩৯ জন সুবিধাভেঅগীকে সরকার অনুমোদন দেয়।
আবেদনকারিদের কাছ থেকে সঠিক ভাবে আবেদন করার কথা বলে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার যোগসাজসে প্রতিজনের কাছ থেকে ১শত টাকা করে আবেন ফি গ্রহণ কবে কেন্দুয়া সমাজসেবা অফিসের কর্তব্যরত লোকজন। শুধু আবেদন করেই ৫ লক্ষ ১৭ হাজার ৫ শত টাকা হাতিয়ে নেয় সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে।
আদেনকারিরা অন্তত শতাধিক সুবিধাভোগী জানায়, বাহিরের কম্পিউটারের দোকান থেকে আবেদন করলে তারা নাকি সঠিকভাবে আবেদন করতে পারে না। অফিসের মাধ্যমে আবেদন করলে সঠিক ভাবে আবেদন করা হয় । তাই আবেদন করতে প্রতি আবেদনে আমাদের কাছ থেকে ১ শত টাকা করে নিয়েছে কেন্দুয়া সমাজসেবা অফিসের লোকজন।
এ ব্যাপারে কেন্দুয়া সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইউনুস বলেন, সুবিধাভোগীরা যেন সঠিক সেবাটা পায় সেজন্য আমাদের অফিসের লোকজন আবেদনের ফরম পুরণ করে দিয়েছে, টাকা নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন বাহিরের দোকান থেকে আবেদন করলে টাক বেশী লাগে আর সঠিক ভাবে ফরমটি পুরণ না হলে সুবিধাভোগীরা সুবিধাঠি পাবেন না। তাই আমরা নিজেরা ফরমটি পুরণ করে দিয়েছি বাহিরের দোকান থেকে কম খরছে।
বেঙ্গল নিউজ ডেক্স 








