
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার মাসকা ইউনিয়নের পিজাহাতি গ্রামে নববধূ সেতু আক্তার (২৬)কে আটকে রেখে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে।
একই ঘটনায় তার স্বামী মোফাজ্জলকে মারধরের অভিযোগও পাওয়া গেছে।ভুক্তভোগী সেতু আক্তার গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন এবং এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ক্লিপও রয়েছে বলে জানা গেছে।সরেজমিনে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টার দিকে পিজাহাতি গ্রামের রশিদ মিয়ার বাড়িতে গিয়ে সেতু আক্তারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে মোফাজ্জলের সঙ্গে তার বিবাহ সম্পন্ন হয়।
এর আগে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল বলে তিনি দাবি করেন।অভিযোগ রয়েছে, মোফাজ্জল পূর্বে নওপাড়া ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের এক কিশোরীকে বিয়ে করেন এবং সেই সংসারে একটি শিশু সন্তান রয়েছে। প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।ভুক্তভোগীর দাবি, মঙ্গলবার বিকেলে স্বামী তাকে নিয়ে নিজ গ্রামে গেলে মোফাজ্জলের স্বজনরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে।
একপর্যায়ে তারা মোফাজ্জলকে শাসনের নামে মারধর করে এবং সেতু আক্তারকে একটি ঘরে আটকে রাখে। সেতু আক্তারের অভিযোগ, ওই সময় স্থানীয় দুই ব্যক্তি ঘরে প্রবেশ করে তাকে একা পেয়ে জোরপূর্বক শ্লীলতাহানির চেষ্টা চালায়।
এসময় তার পরনের ওড়না ছিঁড়ে ফেলা হয় এবং তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। তবে অভিযুক্তদের বক্তব্য অনুযায়ী তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন ঠিক আছে কিন্ত শ্লীলতাহানির চেষ্টার বিষয় টা সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট এবং উদ্দ্যেশ্য প্রনোদিত। এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
নেত্রকোনা প্রতিনিধি 








