
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার বলাই শিমুল ইউনিয়নের কুমরুড়া গ্রামে সংঘবদ্ধ মব হামলার ঘটনায় প্রাক্তন এক সেনা সদস্যের বাড়িঘর ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। ভয়াবহ এই ঘটনার পর ওই পরিবারের সদস্যরা নিজেরা ৯৯৯এ ফোন করে নিরাপত্তা হেফাজতে আসে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রাক্তন সেনা সদস্য আব্দুল খালেক ও তার পরিবারের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায় একদল সন্ত্রাসী । হামলাকারীরা সংঘবদ্ধ হয়ে খালেকের বাড়িতে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় এবং একপর্যায়ে ঘরে অগ্নিসংযোগ করে। এ সময় পরিবারের সদস্যরা প্রাণভয়ে পুলিশি হেফাজতে এসে আত্মরক্ষা করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, ঘটনাটি সরাসরি মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল। তারা বলেন, “কেউ অপরাধ করে থাকলে তার বিচার প্রচলিত আইনের মাধ্যমে হওয়া উচিত। কিন্তু আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে এভাবে একটি পরিবারকে উচ্ছেদ করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”
এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। গ্রামবাসীর একাংশের মধ্যে চাপা ক্ষোভ ও উদ্বেগ লক্ষ্য করা গেছে।
এ বিষয়ে কেন্দুয়া থার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত)মিহির রঞ্জন দেব ঘটনার সত্যতা শিকার করে বলেন, এ ঘটনায় এখনো থানায় কোন লিখিত অভিযোগ হয় নি। অভিযোগ পেলে যথাযথ আইনানুগ ব্যাবস্থা নেয়া হবে। তবে সচেতন মহল মনে করছে, ঘটনাটি সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে এ ধরনের মব সহিংসতা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।
ষ্টাপ রিপোরটার 








