ঢাকা ০৩:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রতিবেশীকে লাশ উদ্ধারে স্বামীর ফোন

ছবি সংগৃহিত

গাজীপুরের শ্রীপুরে স্ত্রীকে হত্যার পর লাশ উদ্ধারের জন্য প্রতিবেশীকে ফোন করে অনুরোধ করেছেন এক স্বামী। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে তালাবদ্ধ ঘর থেকে ঝর্ণা আক্তার নামে এক নারীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

শনিবার (১১ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে শ্রীপুর পৌরসভার বেড়াইদেরচালা গ্রামের জংলাপাড়া এলাকায় মাসুদ মিয়ার বাড়ি থেকে ওই নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত ঝর্ণা আক্তার (১৮) একই এলাকার হামিদুল ইসলামের মেয়ে। দুই বছর আগে পারিবারিক অমতে অপু নামে এক যুবককে বিয়ে করেন তিনি। বিয়ের পর থেকে স্বামীকে নিয়ে জংলাপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন।

নিহতের বাবা হামিদুল ইসলাম জানান, পারিবারিক সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে বিয়ে করায় ঝর্ণার সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ ছিল না। স্বামী অপু তাকওয়া পরিবহনের একটি মিনিবাসের চালক ছিলেন বলে তারা জানতেন।

বাড়ির মালিক লাভলী আক্তার জানান, শনিবার সন্ধ্যায় ঝর্ণার স্বামী অপু তাদের পূর্বের বাসার প্রতিবেশী তানিয়াকে মোবাইল ফোনে ঝর্ণার মৃত্যুর খবর দেন। তানিয়া দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে বিষয়টি নিশ্চিত হন এবং পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

শ্রীপুর থানার ওসি মোহাম্মদ নাছির আহমদ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের তালা ভেঙে লাশ উদ্ধার করে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Gojnobi biplob

Popular Post

হামের টিকা নিয়ে পূর্ববর্তী সরকারগুলো ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রতিবেশীকে লাশ উদ্ধারে স্বামীর ফোন

প্রকাশের সময় : ১২:২২:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

ছবি সংগৃহিত

গাজীপুরের শ্রীপুরে স্ত্রীকে হত্যার পর লাশ উদ্ধারের জন্য প্রতিবেশীকে ফোন করে অনুরোধ করেছেন এক স্বামী। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে তালাবদ্ধ ঘর থেকে ঝর্ণা আক্তার নামে এক নারীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

শনিবার (১১ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে শ্রীপুর পৌরসভার বেড়াইদেরচালা গ্রামের জংলাপাড়া এলাকায় মাসুদ মিয়ার বাড়ি থেকে ওই নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত ঝর্ণা আক্তার (১৮) একই এলাকার হামিদুল ইসলামের মেয়ে। দুই বছর আগে পারিবারিক অমতে অপু নামে এক যুবককে বিয়ে করেন তিনি। বিয়ের পর থেকে স্বামীকে নিয়ে জংলাপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন।

নিহতের বাবা হামিদুল ইসলাম জানান, পারিবারিক সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে বিয়ে করায় ঝর্ণার সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ ছিল না। স্বামী অপু তাকওয়া পরিবহনের একটি মিনিবাসের চালক ছিলেন বলে তারা জানতেন।

বাড়ির মালিক লাভলী আক্তার জানান, শনিবার সন্ধ্যায় ঝর্ণার স্বামী অপু তাদের পূর্বের বাসার প্রতিবেশী তানিয়াকে মোবাইল ফোনে ঝর্ণার মৃত্যুর খবর দেন। তানিয়া দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে বিষয়টি নিশ্চিত হন এবং পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

শ্রীপুর থানার ওসি মোহাম্মদ নাছির আহমদ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের তালা ভেঙে লাশ উদ্ধার করে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।