প্রকাশিত সংবাদের ও মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদ জানান মোমেন, তিনি বলেন ১৬ বছর বয়সের তিন বিয়ে টাকা আদায়ের জন্য স্বামীদেরকে করে হয়রানি। নেত্রকোনা জেলা মদন উপজেলার ১ং কাইটাইল ইউনিয়নের কেশজানী গ্রামের নুর মিয়ার ছেলে মোমেন বলেন, জান্নাত আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ করেছে। একই গ্রামের ঝর্ণা আক্তারের মেয়ে জান্নাতুলের সাথে ১১/২/২০২৫ তারিখে আমার বিয়ে হয়। বিয়ের পরে আমি তাকে নেত্রকোনা ভাড়া বাসায় রাখি।
আমি আনসার ব্যাটালিয়নে চাকরি করি সেই সুবাধে আমি কর্মস্থানে চলে যাই কিছু দিন ভালোই চলছিল । হাঠাৎ তার মা ঝর্ণা আক্তার আমার কাবিনের কাগজ গোপন করে ফেলে। আমি রেশন পাস কারানোর জন্য কাবিননামা চাইলে জান্নাতুল ও তার মা ঝর্ণা আক্তার দিতে অস্বীকার করে। শুরু হয় সংসারে অশান্তি। পরবর্তীতে আমি জানতে পারি আমি ছাড়াও জান্নাতুলের আরও দুটি বিবাহ হয় এবং স্বামীদের কাছ থেকে মোটা অংকে টাকা আদায় করেতে জান্নাতুল আদালতে তালাক প্রদান করে, এটা একটা পারিবারিক চক্র।সে ফেইসবুকে আসক্ত। আমার বিয়ের পরও তার আগের স্বামীসহ আরও অন্যান্য পুরুষের সাথে কথা বলত ও টিকটিক করত,জানতে পারি সে চরিত্রহীন।
একদিন আমাকে না জানিয়ে তার মাকে নেত্রকোনা বাসায় খবর দিয়ে নিয়ে বিয়ের ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার গহনা ও নগদ দুই লক্ষ টাকা দিয়ে দেয় পরে জান্নাতুল আমার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে পালিয়ে যায় এক ছেলেরসাথে । ৩/৪দিন পরে বিয়ের সাক্ষী গণের সহায়তায় আমার নিজ বাড়িতে আসে। তার ভাই পায়েল মিয়া ও রুবেল মিয়া ফোন করে আমাকে সন্ত্রাসীদের দ্বারা খুন করার হুমকি দেয় । তার মা আমার কর্মস্থলে বারবার মিথ্যা অভিযোগ করে আমার মানহানি করছে ।
জান্নাতুল আমার গোপনাঙ্গ নষ্ট কারার হুমকি দেয়। যার ফলে আমি প্রানের ভয়ে ছুটি যায়নি। জান্নাতুল প্রতিনিয়তই আমার মাকে অত্যাচার করত । আমি গরিব মানুষ আমার ভাঙ্গা বাড়িতে থাকবে না বলে জানায়। একদিন রাতে গ্রামের প্রাক্তন মেম্বার মাখন মিয়াকে ফোন করে বলে আমি এই ভাঙ্গা বাড়িতে থাকবনা। সে আমার পরিবারের সবার নাম লিখে আত্মহত্যা করবে বলে হুমকি দিচ্ছিল, তখন মাখন মেম্বার তার স্ত্রীর সহযোগিতা তাকে এক রাত তার বাড়িতে রেখে সকাল বেলায় তার মায়ের হাতে হস্তান্তর করে ।
আমি নিরুপায় হয়ে নিজের জীবন বাঁচানোর জন্য জান্নাতুলকে তালাক প্রদান করি। তালাকের নোটিশ পেয়ে প্রতিশোধ পরায়ন হয়ে আমার চাকরি খাওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহ বিভিন্ন দপ্তরে আমিসহ আমার পরিবারের সদস্যদের নামে মিথ্যা অভিযোগ করে। এমনকি আমার নামে ভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
এই ব্যাপারে মেয়ের মার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন ,আমার মেয়ের তিনটি বিয়ে হইছে তৃতীয় নাম্বার মেয়ের জামাইয়ের নাম মোমেন। তার বিরুদ্ধে আমরা কোন অভিযোগ করিনি , অভিযোগ করবো কেন আমার মেয়ে তো মোমেন সাথে সংসার করতে চায়।
এ ব্যাপারে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে যোগাযোগ করলে বিয়ের আহ্বায়ক মাখন মেম্বার বলেন, মেয়ে ও মার একই চরিত্র এরা কিছুদিন পরে পরে এলাকায় এই ধরনের কাজ করে। আমরা বিষয়টি নিয়ে গ্রামে সালিশ বসতে চাইলে ওরা বসতে চায়না । তিনি বলেন প্রশাসনের সহযোগিতার মাধ্যমে সঠিক বিচারের দাবি জানাই।