ঢাকা ০৮:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খুলে দেওয়া হয়েছে ৪৪ গেট, বেড়েছে তিস্তার পানি

ছবি সংগৃহীত

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে বাড়তে শুরু করেছে তিস্তা নদীর পানি। পানি নিয়ন্ত্রণে ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

শনিবার (৩১ মে) রাত ১০টায় তিস্তার পানি সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫১ দশমিক ৮৬ মিটার (অটো গেজ), যা বিপৎসীমার মাত্র ৩০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে (বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার)।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, রোববার (১ জুন) ভোর ৬টা নাগাদ পানির স্তর আরও ১৫ সেন্টিমিটার বাড়তে পারে। এতে করে পানি বিপৎসীমার মাত্র ১৫ সেন্টিমিটার নিচে অবস্থান করবে। তবে এরপর ধীরে ধীরে পানি হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিস্তার উজানে ভারতের গজলডোবা পয়েন্টে গত ২৪ ঘণ্টায় পানি বেড়েছে ১২০ সেন্টিমিটার।

শুক্রবার (৩০ মে) রাত ৯টায় সেখানে পানি সমতল ছিল ১১০ দশমিক ৩০ মিটার। বর্তমানে সেখানে পানি কমতে শুরু করেছে। একই সময়ে দোমহনী পয়েন্টে পানি বেড়েছে ৬১ সেন্টিমিটার। রাত ৯টায় এ পয়েন্টে পানি সমতল ছিল ৮৫ দশমিক ৬৩ মিটার, যা বিপৎসীমার ৩২ সেন্টিমিটার নিচে।

তিস্তা অববাহিকায় গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের অভ্যন্তরে কিংবা উজানে কোথাও উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত হয়নি বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের পানি পরিমাপক নূরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, গত কয়েকদিন ধরে তিস্তার পানি বাড়ছে। ব্যারেজের ৪৪টি গেট খুলে পানি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Gojnobi biplob

স্বামী বিদেশে থাকতেই অন্তঃসত্ত্বা, পরে গোপন গর্ভপাতের অভিযোগ চিকিৎসা প্রতিবেদনে ‘অসম্পূর্ণ গর্ভপাত’, এফিডেভিটের পর ঘটনাপ্রবাহ ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য

খুলে দেওয়া হয়েছে ৪৪ গেট, বেড়েছে তিস্তার পানি

প্রকাশের সময় : ১০:২৪:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫

ছবি সংগৃহীত

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে বাড়তে শুরু করেছে তিস্তা নদীর পানি। পানি নিয়ন্ত্রণে ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

শনিবার (৩১ মে) রাত ১০টায় তিস্তার পানি সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫১ দশমিক ৮৬ মিটার (অটো গেজ), যা বিপৎসীমার মাত্র ৩০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে (বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার)।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, রোববার (১ জুন) ভোর ৬টা নাগাদ পানির স্তর আরও ১৫ সেন্টিমিটার বাড়তে পারে। এতে করে পানি বিপৎসীমার মাত্র ১৫ সেন্টিমিটার নিচে অবস্থান করবে। তবে এরপর ধীরে ধীরে পানি হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিস্তার উজানে ভারতের গজলডোবা পয়েন্টে গত ২৪ ঘণ্টায় পানি বেড়েছে ১২০ সেন্টিমিটার।

শুক্রবার (৩০ মে) রাত ৯টায় সেখানে পানি সমতল ছিল ১১০ দশমিক ৩০ মিটার। বর্তমানে সেখানে পানি কমতে শুরু করেছে। একই সময়ে দোমহনী পয়েন্টে পানি বেড়েছে ৬১ সেন্টিমিটার। রাত ৯টায় এ পয়েন্টে পানি সমতল ছিল ৮৫ দশমিক ৬৩ মিটার, যা বিপৎসীমার ৩২ সেন্টিমিটার নিচে।

তিস্তা অববাহিকায় গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের অভ্যন্তরে কিংবা উজানে কোথাও উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত হয়নি বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের পানি পরিমাপক নূরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, গত কয়েকদিন ধরে তিস্তার পানি বাড়ছে। ব্যারেজের ৪৪টি গেট খুলে পানি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।