ঢাকা ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

একজন বাদল মিয়া,যার ৫০ বছর ধরে পত্রিকার সাথে যার আলিঙ্গন,

  • গজনবী বিপ্লব
  • প্রকাশের সময় : ০৪:৩০:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫
  • ৪৪৭ বার পড়া হয়েছে

প্রতিদিন ময়মনসিংহ হতে পত্রিকা সরবরাহ করে ঝড় বৃষ্টিকে পেছনে ফেলে সঠিক সময়ে পাঠকের হাতে তুলে দেওয়া তার নেশা। বয়সে সে ক্লান্ত হলেও মনে রয়েছে তার ব্যাপক উদ্যাম।

বাদল মিয়া জানান, আমি প্রায় ৫০ বছন ধরে পত্রিকার হকারী করে আসছি।প্রথমে আঠারবাড়ি পর্যন্ত ময়মনসিংহ থেকে পত্রিকা নিয়ে এসে  পাঠকের বাসা বাড়িতে পৌঁছে দিতাম। পাঠক সংখ্যাও ছিল হাতেগনা কয়ে কজন। তার পর কেন্দুয়াতে সাংবাদিক ও পাঠক বাড়ার সাথে সাথে  পত্রিকার সংখ্যা বাড়তে থাকে। আমার খুব পরিশ্রম হলেও আমি কখনো পাঠককে পত্রিকা দিতে ব্যার্থ হইনি।আমি পাঠকদের সেবা দিয়ে যাচ্ছি নিরলস ভাবে।

যখন দেখি আমার পাঠকরা আমার অপেক্ষায় থাকে তখন আমি আর কোন কষ্ট অনুভব করি না,সে আরো জানায় এই ডিজিটাল যুগে পাঠক অনেক কমে যাওয়ায় পরিবার নিয়ে চলা খুব কষ্ট হয়ে পড়েছে।

নিরলস বাদল মিয়ার  পত্রিকার হকারী ছাড়া অন্য কোন ব্যাবসা না থাকায় তিনি আর্থীক ভাবে অস্বচ্ছল। যদি কোন সহযোগিতা করতে পারলে তার জন্য উপকার হতো।

প্রিয় পাঠক,সহানুধ্যায়ী ব্যাক্তির্বগ,আসুন আমরা সবাই মিলে তাহার দিকে কিছু সহযোগিতার হাত বাড়াই।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Gojnobi biplob

Popular Post

হামের টিকা নিয়ে পূর্ববর্তী সরকারগুলো ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

একজন বাদল মিয়া,যার ৫০ বছর ধরে পত্রিকার সাথে যার আলিঙ্গন,

প্রকাশের সময় : ০৪:৩০:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫

প্রতিদিন ময়মনসিংহ হতে পত্রিকা সরবরাহ করে ঝড় বৃষ্টিকে পেছনে ফেলে সঠিক সময়ে পাঠকের হাতে তুলে দেওয়া তার নেশা। বয়সে সে ক্লান্ত হলেও মনে রয়েছে তার ব্যাপক উদ্যাম।

বাদল মিয়া জানান, আমি প্রায় ৫০ বছন ধরে পত্রিকার হকারী করে আসছি।প্রথমে আঠারবাড়ি পর্যন্ত ময়মনসিংহ থেকে পত্রিকা নিয়ে এসে  পাঠকের বাসা বাড়িতে পৌঁছে দিতাম। পাঠক সংখ্যাও ছিল হাতেগনা কয়ে কজন। তার পর কেন্দুয়াতে সাংবাদিক ও পাঠক বাড়ার সাথে সাথে  পত্রিকার সংখ্যা বাড়তে থাকে। আমার খুব পরিশ্রম হলেও আমি কখনো পাঠককে পত্রিকা দিতে ব্যার্থ হইনি।আমি পাঠকদের সেবা দিয়ে যাচ্ছি নিরলস ভাবে।

যখন দেখি আমার পাঠকরা আমার অপেক্ষায় থাকে তখন আমি আর কোন কষ্ট অনুভব করি না,সে আরো জানায় এই ডিজিটাল যুগে পাঠক অনেক কমে যাওয়ায় পরিবার নিয়ে চলা খুব কষ্ট হয়ে পড়েছে।

নিরলস বাদল মিয়ার  পত্রিকার হকারী ছাড়া অন্য কোন ব্যাবসা না থাকায় তিনি আর্থীক ভাবে অস্বচ্ছল। যদি কোন সহযোগিতা করতে পারলে তার জন্য উপকার হতো।

প্রিয় পাঠক,সহানুধ্যায়ী ব্যাক্তির্বগ,আসুন আমরা সবাই মিলে তাহার দিকে কিছু সহযোগিতার হাত বাড়াই।