
নেত্রকোণা পূর্বধলার খামারহাটি গ্রামে পূর্ব শক্রুতার জেরে দুর্বিত্ত দেয়া আগুনে পুরেছে কৃষক আব্দুল হাতিম মিয়ার বসত ভিটা।
মামলার বিবরণে জানা যায়, হাতিম মিয়ার সাথে তার চাচাত্ব ভাই ভাতিজাদের সাথে ধীর্ঘদিন ধরে জায়গা জমি নিয়ে দেওয়ানী ও ফৌজদারী মামলা চলে আসছিল। প্রতিপক্ষ প্রভাবশালী হওয়ায় দরিদ্র হাতিম গংদের মামলা মোকদ্দমা সহ বিভিন্ন ভাবে হয়রানী করে আসছিল অনেকদিন থেকেই। কিছুদিন আগেও হাতিম মিয়াগংদের মিথ্যা মামায় হয়রানী করে আব্দুর রশিদগংরা।
হাতিম গংদের প্রাণ নাসের হুমকি দিতে থাকলে হাতিম মিয়া তার নিজে ও পরিবার বর্গের নিরাপত্তার অশ্যয় প্রার্থণা করে গত ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে নেত্রকোণা আমলী আদালতে একটি ১০৭ ধারায় মামলা দায়ের করেন। যা চলমান রহিয়াছে।
১২ অক্টোবর ২০২৫ ঘটনার রাতে হাতিম মিয়া তার বসত ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। হটাৎ বাহিরে বেশ কয়েকজন মানুয়ের পায়ের শব্দ ও চালের উপড় বৃষ্টির মত শুনতে পান। তিনি ভয়ে কোন সারা শব্দ না করে বিছানার উপড় বসে থাকেন। একটু পরেই দেখতে পান ঘরের চালের উপড় আগুন ধাও ধাও করে জ¦লছে।
বাড়ির অন্যান্ন সদস্যরা তার নাতির বিয়েতে গৌরীপুর থানার কেল্লাতাজপুর অবস্থান করায় কাউকে ডাক দিতে পারেননি। আগুনের লেলিহান শিখা ক্রমশ বাড়তে থাকায় মামলার বাদি হাতিম মিয়া ঘর থেকে বের হওয়ার জন্য সদর দরজা খুলার চেষ্টা করলে দেখতে পান বাহির থেকে সিকল আটকানো রয়েছে।
প্রাণে বাঁচতে তিনি ঘরের পিছনে আরেক দরজা খুলে কোন রকম প্রাণে বাছতে পেরেছেন। ঘর থেকে বের হয়ে তিনি বিবাদীদের দেখতে পান বিদ্যুতের আলোতে।
হাতিম মিয়ার ডাক চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে আগুন নিভানোর চেষ্টা চালায়। আগুনের তিব্রতা থাকায় নেভানোর আগেই ঘর ও ঘরের চাল, ডাল ও প্রয়োজনীয় আসভাবপত্র আগুনের লেলিহান শিখায় পুরে ছাই হয়ে যায়। এতে প্রায় ১০ লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়।
হাতিম মিয়া প্রথমে পূর্বধলা থানায় মামলা করতে গেলে থানা পুলিশ মামলা নিতে অপাগতা জানায়। তারপর তিনি নেত্রকোণা আমলী আদালতে আব্দুর রশিদকে প্রধান বিবাদি করে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে ও আরও ৩/৪ জন কে অজ্ঞাত আসামী করে দায়ের করেন। নেত্রকোণা আমলী আদালত ঘটনা পর্যলোচনা করে পিবিআইকে দ্বায়িত্ব দেন প্রতিবেদন তৈরী করে আদালতে দাখিল করার জন্য।
মামলার ক্ষতিগ্রস্থ বাদি আব্দুল হাতিম বলেন, আমি গরীব অসহায় একজন মানুষ। প্রতিবেশীর সাথে জয়িগা জমি নিয়ে বিরুধ থাকতেই পারে, এই বলে আমার বসতঘর রাতের আধঁরে আগুণে পুড়িয়ে দিবে এটা বিশ^াস করতে আমার খুব কষ্ট লাগছে। আমি যদি ঘর থেকে বের না হতে পারতাম তাহলে ঘরের সাথে আমিও পুড়ে ছাই হয়ে যেতাম। আমি এই ঘটনার বিচার দাবি করি।
গজনবী বিপ্লব, ষ্টাপ রিপোর্টার 








