ঢাকা ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুবদল নেতা আরিফ হত্যা মামলায় সুব্রত বাইনের মেয়ে ফের রিমান্ডে

রাজধানীর হাতিরঝিল থানার যুবদল নেতা আরিফ হত্যা মামলায় শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের মেয়ে খাদিজা ইয়াসমিন বিথীর ফের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) ঢাকা মেট্রেপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারা ফারজানা হক এ রিমান্ডের আদেশ দিয়েছেন। এর আগে গত ১৮ ডিসেম্বর এ মামলায় তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ওই রিমান্ড শেষে বুধবার ফের ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিলেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. মাজহারুল ইসলাম।

শুনানিকালে আসামিপক্ষের আইনজীবী আদালতে রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন।আর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর শামসুদ্দোহা সুমন তার রিমান্ডের স্বপক্ষে শুনানি করেন।

‎‎শুনানিকালে আদালতে আসামি খাদিজা ইয়াসমিন বিথী বলেন,‘এ মামলার কোনো কিছুই আমি জানি না। আমার বাচ্চা আছে। আমার বাবা অপরাধী হতে পারে। তার জন্য তো আমি দায়ী না। আমার মেয়ে বাচ্চা আছে। তাকে এখন প্রতিবেশীরা লালন-পালন করছে। আমার বাচ্চা কেন মানুষের কাছে থাকবে? আমি জব করি।

কাজ করে খাই।আমিতো কোনো অন্যায় করি নাই। আমার বাবা তো আইনি হেফাজতে আছে। সুতরাং আমাকে কেন গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে পাঠানো হচ্ছে?’এর আগে গত ১৫ ডিসেম্বর কুমিল্লা জেলা কারাগারের সামনে থেকে বিথীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন গত ১৬ ডিসেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

‎‎মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত ১৯ এপ্রিল রাতে রাজধানীর হাতিরঝিল থানাধীন নয়াটোলা মোড়ল গলির ‘দি ঝিল ক্যাফে’র সামনে যুবদল নেতা মো. আরিফ সিকদারকে গুলি করা হয়। আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২১ এপ্রিল তিনি মারা যান।

আরিফ সিকদার ঢাকা মহানগর উত্তরের ৩৬ নং ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সহ-ক্রীড়া সম্পাদক ছিলেন। এ ঘটনায় নিহত আরিফের বোন রিমা আক্তার বাদী হয়ে সুব্রত বাইনের সহযোগী মাহফুজুর রহমান বিপুসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে হাতিরঝিল থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন।

পরবর্তীতে আরিফ মারা গেলে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়। এ মামলায় সুব্রত বাইনকে গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Gojnobi biplob

Popular Post

হামের টিকা নিয়ে পূর্ববর্তী সরকারগুলো ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

যুবদল নেতা আরিফ হত্যা মামলায় সুব্রত বাইনের মেয়ে ফের রিমান্ডে

প্রকাশের সময় : ০৪:০০:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজধানীর হাতিরঝিল থানার যুবদল নেতা আরিফ হত্যা মামলায় শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের মেয়ে খাদিজা ইয়াসমিন বিথীর ফের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) ঢাকা মেট্রেপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারা ফারজানা হক এ রিমান্ডের আদেশ দিয়েছেন। এর আগে গত ১৮ ডিসেম্বর এ মামলায় তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ওই রিমান্ড শেষে বুধবার ফের ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিলেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. মাজহারুল ইসলাম।

শুনানিকালে আসামিপক্ষের আইনজীবী আদালতে রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন।আর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর শামসুদ্দোহা সুমন তার রিমান্ডের স্বপক্ষে শুনানি করেন।

‎‎শুনানিকালে আদালতে আসামি খাদিজা ইয়াসমিন বিথী বলেন,‘এ মামলার কোনো কিছুই আমি জানি না। আমার বাচ্চা আছে। আমার বাবা অপরাধী হতে পারে। তার জন্য তো আমি দায়ী না। আমার মেয়ে বাচ্চা আছে। তাকে এখন প্রতিবেশীরা লালন-পালন করছে। আমার বাচ্চা কেন মানুষের কাছে থাকবে? আমি জব করি।

কাজ করে খাই।আমিতো কোনো অন্যায় করি নাই। আমার বাবা তো আইনি হেফাজতে আছে। সুতরাং আমাকে কেন গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে পাঠানো হচ্ছে?’এর আগে গত ১৫ ডিসেম্বর কুমিল্লা জেলা কারাগারের সামনে থেকে বিথীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন গত ১৬ ডিসেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

‎‎মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত ১৯ এপ্রিল রাতে রাজধানীর হাতিরঝিল থানাধীন নয়াটোলা মোড়ল গলির ‘দি ঝিল ক্যাফে’র সামনে যুবদল নেতা মো. আরিফ সিকদারকে গুলি করা হয়। আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২১ এপ্রিল তিনি মারা যান।

আরিফ সিকদার ঢাকা মহানগর উত্তরের ৩৬ নং ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সহ-ক্রীড়া সম্পাদক ছিলেন। এ ঘটনায় নিহত আরিফের বোন রিমা আক্তার বাদী হয়ে সুব্রত বাইনের সহযোগী মাহফুজুর রহমান বিপুসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে হাতিরঝিল থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন।

পরবর্তীতে আরিফ মারা গেলে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়। এ মামলায় সুব্রত বাইনকে গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।