
নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় সাবরেজিষ্টি অফিসে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের উঠেছে সাবরেজিষ্টারের বিরুদ্বে ।
কেন্দুয়া উপজেলায় ১৩ টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় প্রতিমাসে অন্তত ৪০০ টি জমির দলির সম্পন্ন হয় । দলিল গ্রহিতার কাছ থেকে মসজিদ উন্নয়ন, দলিল লেখক সমিতির চাঁদা ও অন্যান্ন খরছ বাবদ প্রতি দলিল ১০০ টাকা করে অতিরিক্ত আদায় করছে সাবরেজিষ্টারের নির্দেশে অফিস সহকারি। এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ পাওয়ায় এলাকায় আলোচানার র্শষ্টি হয়েছে।
কেন্দুয়া সাবরেজিষ্ট্রি অফিসের পিয়ন নাসির, নকল নবিস জাকারিয়া ও সাবরেজিষ্টার কায়েদে আজম সোহাগ এই চক্রটি হাতিয়ে নিচ্ছে টাকা।
চক্রটি প্রতিমাসে অন্তত ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা অতিরিক্ত আদায় করছে দলিল গ্রহিতাদের কাছ থেকে। জমি দলিল করতে এসে দলিল গ্রহিতারা পড়ছেন বিপাকে। এক রকম জিম্মি করেই নেওয়া হয় টাকা। দলিল গ্রহিতারা হচ্ছে হয়রানির শিকার। প্রতিমাসে কতগুলি দলিল সম্পন্ন হয় তা গত দুইমাস আগে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করলেও এখন পর্যন্ত তথ্য দেয়নি কেন্দুয়া সাবরেজিষ্টি অফিসে দ্বায়িত্বে থাকা সাবরেজিষ্টার কায়েদে আজম সোহাগ।
সাবরেজিষ্টারের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার জানামতে এরকম কোন টাকার লেনদেন আমার অফিসে হয়না।
এম ডি হোসাইন আহেম্মেদ নামে এক ভোক্তভোগী বলেন, আমি একটি দলিল করতে গিয়েছিলাম তারপর নকল নবিস জাকারিয়া তার কাছে প্রথমে বিশ হাজার টাকা চেয়েছিল। কয়েকদিন পরে গেলে চাওয়া হয়েছে চল্লিশ হাজার টাকা আরও কয়েকদিন পরে চাওয়া হয়েছে মাত্র এক লাখ টাকা।
বেঙ্গল নিউজ ডেক্স 








