
পরকীয়ার বিষে নীল শৈলকুপা, মা যখন সর্বনাশা! ঝিনাইদহের শৈলকুপায় পরকীয়া প্রেমের এক ভয়ংকর ও হৃদয়বিদারক পরিণতিতে দিশেহারা হয়ে পড়েছে তিনটি নিষ্পাপ শিশু।
তামিনগর গ্রামের গৃহবধূ শারমিন খাতুন নিজের ১১, ৮ এবং ৫ বছরের তিনটি সন্তানকে এক নিমেষে ‘পর’ করে দিয়ে ঘর বেঁধেছেন প্রেমিকের সাথে।
মায়ের মমতাকে বিসর্জন দিয়ে, সাজানো সংসার চুরমার করে দিয়ে শারমিনের এই পলায়ন এখন পুরো এলাকায় টক-অফ-দ্য-টাউন। তামিনগর গ্রামের শাহিনুরের স্ত্রী শারমিন দীর্ঘদিনের পরকীয়া প্রেমিক শেখড়া গ্রামের স্বাধীনের সাথে ঘর বাঁধতে মরিয়া হয়ে ওঠেন।স্বামীকে তালাক দেওয়ার মাত্র ২৫ দিনের মাথায় আইন-কানুন ও সামাজিকতার তোয়াক্কা না করে প্রেমিকের ঘরে উঠেছেন তিন সন্তানের এই জননী।
সাবেক স্বামী শাহিনুরের অভিযোগ, শারমিন শুধু একা যাননি; ঘর থেকে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার এবং মূল্যবান আসবাবপত্রও সাথে নিয়ে গেছেন তার সন্তানেরা বলেন”মা আমাদের ফেলে গেল কেন?” বর্তমানে তাসনিম (১১), রুবায়া (৮) এবং মাত্র ৫ বছরের শিশু সিয়ামের দিন কাটছে চরম মানবেতর অবস্থায়। মা চলে যাওয়ার পর মাতুলালয়েও (নানা বাড়ি) ঠাঁই হয়নি এই অসহায় শিশুদের।
দিনমজুর বাবার অভাবের সংসারে খেয়ে না খেয়ে পাথর চাপা কান্না নিয়ে দিন পার করছে তারা। “যে মা পরম মমতায় আগলে রাখার কথা ছিল, সেই মা-ই আজ পরকীয়ার মোহে অন্ধ হয়ে সন্তানদের নরক যন্ত্রণায় ফেলে গেছেন।” — এলাকাবাসী এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় তামিনগর, আড়ুয়াকান্দি ও শেখড়া গ্রামে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
একজন মা কীভাবে নিজের নাড়িছেঁড়া ধনদের এভাবে অনিশ্চয়তার মুখে ফেলে যেতে পারেন, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বইছে নিন্দার ঝড়। শাহিনুর তার সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে এখন দিশেহারা। আপনি কি মনে করেন, এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন মায়ের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত? আপনার মতামত কমেন্টে জানান এবং প্রতিবেদনটি শেয়ার করে এই অসহায় শিশুদের পাশে দাঁড়ান।
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি 








