
নেত্রকোণায় টাকা দিয়ে ভিডিও করে এলজিইডির কর্মকর্তাকে ফাঁসানোর অভিযোগ করেছেন নেত্রকোণা সদর উপজেলা উপ সহকারী প্রকৌশলী মো. ইমরান হোসেন।
গত কয়েক দিন আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন নিউজ প্রোটালে এ নিয়ে বেশ কয়েকটিতে সংবাদ প্রকাশ করা হয়।
প্রকাশিত সংবাদ স্থানীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল, ঢাকা ট্রাইবুনে সংবাদ পেজ, জনবাণী সংবাদ পেজ, নাগরিক টিভি অনলাইন এবং মেহেদী হাসান নামে এক ফেসবুক আইডি থেকে ঘুষ গ্রহন শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদগুলো যা নেত্রকোণা সদর উপজেলা উপ সহকারী প্রকৌশলী মো. ইমরান হোসেনের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
নেত্রকোণা সদর উপজেলা উপ সহকারী প্রকৌশলী মো. ইমরান হোসেন বলেন, আমাকে টাকা দিয়ে ফাঁসানোর জন্যই একজনকে বসিয়ে রেখে আরেকজন ভিডিও ক্যামেরা অন করে রাখে। সম্পুর্ন ভিডিওটি আপনারা একটু খেয়াল করে বিবেক দিয়ে দেখেন, টিকাদার আমাকে জুরকরে বার বার টেবিলের ড্রয়ারে পঞ্চাশ হাজার টাকার একটি বান্ডলে রেখে দিচ্ছে আর আমি বার বার ফেরত দিচ্ছি। মূলত আমাকে হেনস্ত করার জন্যই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে এমন কাজটি করেছে।
আমি নেত্রকোণায় যোগদানের পর থেকে সাহসিকতার সহিত বিভিন্ন উন্নয়ন মুলক কাজ সম্পূর্ণ করে আসছি। আমার বিরুদ্বে এমন কোন টিকাদার নেই অভিযোগ করবে। কোন কাজে অসংঙ্গতি দেখা দিলে আমি টিকাদারদের সাথে মতবিনিময় করে সঠিক কাজ আদায় করেছি।
উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে একটি সংঘবদ্ধ চক্র এলজিইডি ও আমার সুনাম নষ্ট করার জন্য এমন জগন্য কাজ করেছে। সাংবাদিক ভাইয়েরা আমার কাছে বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য এসেছেন। আমি সাংবাদিক ভাইদের ভিডিওর বিষয়টি বুজিয়ে বলেছি এর পরেও আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য একটি কুচক্রি মহল প্রতিবেদকদেরকে ভুল তথ্য দিয়ে এ ধরনের মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করান, যা আদৌ সত্য নয়। আমি এর প্র্রতিবাদ জানাই।
বেঙ্গল নিউজ ডেক্স 








