ঢাকা ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পানির নিচ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার হুমকি ইরানের

ইরানের কাছে এমন ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে যা পানির নিচ থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়। প্রয়োজনে সেগুলো আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই ব্যবহার করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) এক জ্যেষ্ঠ কমান্ডার আলি ফাদাভি।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি একথা বলেন। আলি ফাদাভি আরও বলেন, আমাদের কাছে এমন ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে যা পানির নিচ থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়। যার গতি প্রতি সেকেন্ডে ১০০ মিটার (৩২৮ ফুট)। আমরা আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই সেগুলো ব্যবহার করতে পারি।

তিনি আরও দাবি করেন, এ ধরনের অস্ত্র প্রযুক্তি কেবল ইরান ও রাশিয়ার কাছেই রয়েছে। তবে আলি ফাদাভির এই দাবির স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করতে পারেনি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের পানির নিচ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার এই হুমকি মার্কিন শিবিরে আতঙ্ক বাড়াবে। ধারণা করা হচ্ছে, এমন হামলার জবাব দেয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের কাছে বিভিন্ন বিকল্প থাকতে পারে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Gojnobi biplob

Popular Post

হামের টিকা নিয়ে পূর্ববর্তী সরকারগুলো ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

পানির নিচ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার হুমকি ইরানের

প্রকাশের সময় : ১১:২৯:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

ইরানের কাছে এমন ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে যা পানির নিচ থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়। প্রয়োজনে সেগুলো আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই ব্যবহার করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) এক জ্যেষ্ঠ কমান্ডার আলি ফাদাভি।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি একথা বলেন। আলি ফাদাভি আরও বলেন, আমাদের কাছে এমন ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে যা পানির নিচ থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়। যার গতি প্রতি সেকেন্ডে ১০০ মিটার (৩২৮ ফুট)। আমরা আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই সেগুলো ব্যবহার করতে পারি।

তিনি আরও দাবি করেন, এ ধরনের অস্ত্র প্রযুক্তি কেবল ইরান ও রাশিয়ার কাছেই রয়েছে। তবে আলি ফাদাভির এই দাবির স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করতে পারেনি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের পানির নিচ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার এই হুমকি মার্কিন শিবিরে আতঙ্ক বাড়াবে। ধারণা করা হচ্ছে, এমন হামলার জবাব দেয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের কাছে বিভিন্ন বিকল্প থাকতে পারে।