ঢাকা ০২:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা থেকে বাদ মীর জাফরের বংশধররা




ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদে বসবাসরত মীর জাফরের পরিবারের বহু সদস্যের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার অভিযোগ উঠেছে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই ঘটনায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে রাজ্যটিতে।

জানা গেছে, এসআইআর প্রক্রিয়ায় নবাব পরিবারের শতাধিক সদস্যের নাম তালিকা থেকে মুছে দেওয়া হয়েছে। ফলে তারা আদৌ ভোট দিতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।

নবাব পরিবারের সদস্যরা জানান, নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে শুনানির নোটিশ পেয়ে তারা প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু শুনানির পরও অধিকাংশের নামই স্থায়ীভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা।

ঐতিহাসিক দলিল অনুযায়ী, ১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধের পর ব্রিটিশদের সহায়তায় বাংলার নবাব হন মীর জাফর। বর্তমানে তাঁর ১৫তম বংশধর রেজা আলি মির্জাসহ অন্যরা মুর্শিদাবাদের কিল্লা নিজামত এলাকায় বসবাস করেন। তাদের অনেকের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Gojnobi biplob

আটপাড়ায় জমি দখলের অভিযোগ এনে সংবাদকর্মীর বিরুদ্বে মানববন্ধন ।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা থেকে বাদ মীর জাফরের বংশধররা

প্রকাশের সময় : ১২:১৪:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদে বসবাসরত মীর জাফরের পরিবারের বহু সদস্যের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার অভিযোগ উঠেছে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই ঘটনায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে রাজ্যটিতে।

জানা গেছে, এসআইআর প্রক্রিয়ায় নবাব পরিবারের শতাধিক সদস্যের নাম তালিকা থেকে মুছে দেওয়া হয়েছে। ফলে তারা আদৌ ভোট দিতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।

নবাব পরিবারের সদস্যরা জানান, নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে শুনানির নোটিশ পেয়ে তারা প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু শুনানির পরও অধিকাংশের নামই স্থায়ীভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা।

ঐতিহাসিক দলিল অনুযায়ী, ১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধের পর ব্রিটিশদের সহায়তায় বাংলার নবাব হন মীর জাফর। বর্তমানে তাঁর ১৫তম বংশধর রেজা আলি মির্জাসহ অন্যরা মুর্শিদাবাদের কিল্লা নিজামত এলাকায় বসবাস করেন। তাদের অনেকের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে।